📅 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৫৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জিপিএ-৫ শিক্ষার্থীদের আনন্দে ভরা সংবর্ধনা: ‘কঠোর পরিশ্রমের ফল স্বীকার করছি’

জিপিএ-৫ শিক্ষার্থীদের আনন্দে ভরা সংবর্ধনা: ‘কঠোর পরিশ্রমের ফল স্বীকার করছি’

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রংপুরে অনুষ্ঠিত জিপিএ-৫ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ৬৪ জেলার কৃতী শিক্ষার্থীরা অংশ নিলেন। সাফল্যের পেছনে তাদের কষ্ট, পরিবারের ত্যাগ ও পরিশ্রমের গল্প শোনা যায়

রংপুরের শিশু নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে সকালের আলো তীব্র হয়ে ওঠার আগেই জড়ো হতে শুরু করেছিল জিপিএ-৫ পাওয়ার শিক্ষার্থীরা। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনের জন্য তাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ‘শিখো-প্রথম আলো জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ২০২৬’ শনিবার সকাল ১০টায় শুরু হয়। ‘স্বপ্ন দেখো, জীবন গড়ো’ এই স্লোগানে অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রংপুরে ৬৪ জেলার জিপিএ-৫ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে মো. সোয়াদ ও মো. জুনাইদ।
  • 📌 সোয়াদ বলেন, ‘কঠোর পরিশ্রম করেছি, প্রাপ্য হিসেবে সংবর্ধনায় এসেছি, খুব ভালো লাগছে’।
  • 📌 মায়িশা ফাহমিদা ও নাদিয়া আফরিনের মতো শিক্ষার্থীরা অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
  • 📌 অভিভাবক মিজানুর রহমান বলেন, ‘৭ হাজার টাকা বেতন ও ২২ শতাংশ জমির চাষের মধ্যে ছেলেকে পড়িয়েছি’।
  • 📌 অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে পীরগঞ্জের বড়দরগা থেকে মায়িশা ফাহমিদা ও লক্ষ্মীপুরের তারাগঞ্জের নাদিয়া আফরিন।

📰 বিস্তারিত

মাঠে দেখা যায় দু’জন বন্ধু মো. সোয়াদ ও মো. জুনাইদের। তারা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। কারমাইকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন তারা। জুনাইদ বলেন, ‘জিপিএ-৫ পাওয়ার আনন্দ তো আছে, সংবর্ধনা পাওয়া সেই আনন্দকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে, স্বপ্ন বাড়ছে’।

সোয়াদের পথ ছিল কিছুটা আলাদা। তার অনেক বন্ধু প্রাইভেট কোচিংয়ের সুযোগ পেলেও তার সেই সুযোগ ছিল না। নিজের পরিশ্রমেই তিনি এগিয়ে যান। সোয়াদ বলেন, ‘কঠোর পরিশ্রম করেছি। প্রাপ্য হিসেবে আজ সংবর্ধনায় এসেছি। খুব ভালো লাগছে’।

অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পেছনে বিভিন্ন গল্প রয়েছে। কেউ এসেছেন প্রত্যন্ত এলাকার বিদ্যালয় থেকে, কেউ শহরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে। তাদের পেছনে রয়েছে পরিবারের দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা। পীরগঞ্জের বড়দরগা থেকে এসেছেন মায়িশা ফাহমিদা। তিনি মিঠাপুকুরের শঠিবাড়ি দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন, কিন্তু পড়াশোনার খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়েছে তার।

লক্ষ্মীপুরের তারাগঞ্জের ছুট থেকে বাবা কেরামত আলীর ইজিবাইকে করে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসেছেন নাদিয়া আফরিন। অভাবের মধ্যেই পড়াশোনা করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন তিনি। নাদিয়া বলেন, ‘অনেক দিন না খেয়ে স্কুলে গেছি। ধারদেনা করে বাবা ফরম পূরণের টাকা দিয়েছেন। সেগুলো উতরে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছি। কিন্তু কলেজে পড়ার খরচ এখন সেই আনন্দ হারিয়ে যাওয়ার পথে’।

অনুষ্ঠানে অভিভাবকদের জীবনসংগ্রামও মিশে আছে। মিঠাপুকুর থেকে ছেলেকে নিয়ে অনুষ্ঠানে এসেছেন মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, ‘লেখাপড়া না থাকার কষ্ট আমি জানি। ২২ শতাংশ জমির চাষাবাদ আর বেতনের ৭ হাজার টাকায় সংসার চালিয়ে একবেলা খেয়ে না–খেয়ে ছেলেকে পড়িয়েছি। ছেলে সেই কষ্টের দাম দিয়েছে। আমার ইচ্ছা ছেলেকে চিকিৎসক বানাব’।

মাঠজুড়ে ক্রেস্ট ও উপহার নেওয়ার ব্যস্ততা, ছবি তোলা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা এবং মঞ্চের আয়োজন—সব মিলিয়ে উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছিল। তবে এই আনন্দের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের সামনে দাঁড়িয়েছে নতুন বাস্তবতা: কলেজজীবনের শুরু।

"জিপিএ-৫ পাওয়ার আনন্দ তো আছেই। তার ওপর সংবর্ধনা পাওয়া সেই আনন্দ কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। এখানে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। স্বপ্ন বাড়ছে।"
"অনেক দিন না খেয়ে স্কুলে গেছি। ধারদেনা করে বাবা ফরম পূরণের টাকা দিয়েছেন। সেগুলো উতরে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রংপুর শিশু নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়, রংপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সোয়াদ, মো. জুনাইদ, মায়িশা ফাহমিদা, নাদিয়া আফরিন, মিজানুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৪ জেলা, জিপিএ-৫ (৫টি), ৭ হাজার টাকা, ২২ শতাংশ জমি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖