📌 বনানী সুপারমার্কেটে স্বর্ণালংকার কেনার সময় ৫৭ লাখ টাকার জাল নোট নিয়ে ধরা পড়েন রুবেল ফকির। দুই দিনের রিমান্ড শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠান আদালত। তাঁর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ১৬টি মামলা রয়েছে
রাজধানীর বনানীতে প্রায় ৫৭ লাখ টাকার জাল নোট দিয়ে স্বর্ণালংকার কেনার চেষ্টার ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. রুবেল আহম্মেদ ফকিরকে দুই দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গ্রেপ্তার মো. রুবেল আহম্মেদ ফকির (৪৬) নামে পরিচিত
- 📌 ঘটনার সময় তিনি স্বর্ণালংকার কেনার ভান করেন
- 📌 তাঁর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় অন্তত ১৬টি মামলা রয়েছে
- 📌 ঘটনায় তাঁর সহযোগী আবদুল্লাহ আল কাফি (৩৭) পালিয়ে যান
📰 বিস্তারিত
রাজধানীর বনানী সুপারমার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত ‘মনিমালা জুয়েলার্স’ থেকে স্বর্ণালংকার কেনার সময় প্রায় ৫৭ লাখ টাকার জাল নোট নিয়ে ধরা পড়েন রুবেল ফকির। ঘটনার দিন বিকেলে তিনি তাঁর সহযোগী আবদুল্লাহ আল কাফির সঙ্গে দোকানে প্রবেশ করেন এবং ভাগ্নির বিয়ের জন্য গয়না কেনার ভান করেন। নির্বাচিত স্বর্ণালংকারের পরিমাণ ছিল ২০ থেকে ২১ ভরি।
দোকানের ব্যবস্থাপক মো. শহিদুল ইসলাম বিষয়টি মালিককে জানালে তিনি আসতে দেরি করেন। এর মধ্যে রুবেল তাঁর ট্রলি ব্যাগ থেকে এক হাজার টাকা মূল্যমানের নোটের ৫৮টি বান্ডিল বের করেন। কর্মচারীরা নোটগুলো পরীক্ষা করে জাল বলে সন্দেহ করলে তিনি পালানোর চেষ্টা চালান। উত্তেজিত জনতা তাঁকে ধরে ফেললে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে।
পুলিশ তাঁর কাছ থেকে ৫৭ লাখ ৫ হাজার টাকার জাল নোট জব্দ করে। এ ঘটনায় মনিমালা জুয়েলার্সের ব্যবস্থাপক শহিদুল ইসলাম বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন। আদালত রুবেলকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন। রিমান্ড শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেন।
"রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে আসামি তাঁর পলাতক সহযোগীর অবস্থান এবং জাল টাকার উৎস নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য এড়িয়ে গেছেন। তবে মামলার ঘটনা সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা তদন্তে সহায়ক হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বনানী সুপারমার্কেট, মনিমালা জুয়েলার্স
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রুবেল আহম্মেদ ফকির (৪৬)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৭ লাখ টাকা, ১৬টি মামলা, ২০-২১ ভরি স্বর্ণ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!