📅 ২৭ আগস্ট ২০২৬, ৪:২৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গবেষণার ফল প্রকাশে অর্থনৈতিক বাধা: বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর অভিজ্ঞতা ও বৈশ্বিক সংকট

গবেষণার ফল প্রকাশে অর্থনৈতিক বাধা: বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর অভিজ্ঞতা ও বৈশ্বিক সংকট

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিজ্ঞান গবেষণার ফল প্রকাশে উচ্চ ব্যয় বাংলাদেশসহ নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর গবেষকদের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রকাশনা ফি হিসেবে কয়েক লাখ টাকা দিতে না পারায় অনেক গবেষকই তাঁদের আবিষ্কার প্রকাশ করতে পারছেন না

বিজ্ঞান গবেষণার ফল প্রকাশের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতা ক্রমেই প্রকট হয়ে উঠছে। গবেষণাপত্র প্রকাশনা ফি হিসেবে কয়েক লাখ টাকা দিতে না পারায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গবেষকরা তাঁদের আবিষ্কার প্রকাশ করতে পারছেন না। সম্প্রতি প্রকাশিত এক অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, ওয়াইলি-ভিসিএইচের মতো প্রকাশনা সংস্থায় সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক প্রকাশনা ফি হিসেবে প্রায় ৯ হাজার মার্কিন ডলার অর্থাৎ প্রায় ১১ লাখ টাকা ব্যয় করতে হয়। অন্যদিকে, সেল প্রেসের আইসায়েন্স জার্নালে প্রকাশ করতে চাইলে নির্ধারিত ফি ছিল ৩ হাজার ২৮০ ডলার, যা বাংলাদেশি গবেষকদের জন্য কমিয়ে ৬৮০ ডলার করা হলেও তা পরিশোধ করা সম্ভব ছিল না। বহু ই-মেইল ও আর্থিক অসচ্ছলতার প্রমাণ উপস্থাপনের পর অবশেষে সেই ফিও মওকুফ করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিজ্ঞান গবেষণার ফল প্রকাশে উচ্চ ব্যয় বাংলাদেশি গবেষকদের জন্য বড় বাধা
  • 📌 ওয়াইলি-ভিসিএইচের সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক প্রকাশনা ফি প্রায় ৯ হাজার মার্কিন ডলার
  • 📌 সেল প্রেসের আইসায়েন্স জার্নালে প্রকাশনা ফি ছিল ৩ হাজার ২৮০ ডলার, বাংলাদেশি গবেষকদের জন্য কমিয়ে ৬৮০ ডলার করা হলেও তা পরিশোধ করা সম্ভব ছিল না
  • 📌 গবেষণার মান বা যোগ্যতার চেয়ে ভৌগোলিক অবস্থান ও অর্থায়নের সুযোগ জ্ঞান প্রকাশের সক্ষমতা নির্ধারণ করে দেয়
  • 📌 ওপেন অ্যাকসেস আন্দোলনের উদ্দেশ্য ছিল গবেষণার ফল সবার জন্য উন্মুক্ত করা, কিন্তু তা উচ্চমূল্যের প্রকাশনা ফি নির্ভর ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে

📰 বিস্তারিত

গবেষণা মানবজাতির সম্মিলিত জ্ঞানভান্ডারের অংশ হলেও তা প্রকাশের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতা ক্রমেই প্রকট হয়ে উঠছে। সম্প্রতি এক গবেষকের অভিজ্ঞতায় উঠে এসেছে, প্রকাশনা ফি হিসেবে কয়েক লাখ টাকা দিতে না পারায় তাঁদের আবিষ্কার প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। ওয়াইলি-ভিসিএইচের মতো প্রকাশনা সংস্থায় সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক প্রকাশনা ফি হিসেবে প্রায় ৯ হাজার মার্কিন ডলার অর্থাৎ প্রায় ১১ লাখ টাকা ব্যয় করতে হয়। অন্যদিকে, সেল প্রেসের আইসায়েন্স জার্নালে প্রকাশ করতে চাইলে নির্ধারিত ফি ছিল ৩ হাজার ২৮০ ডলার, যা বাংলাদেশি গবেষকদের জন্য কমিয়ে ৬৮০ ডলার করা হলেও তা পরিশোধ করা সম্ভব ছিল না। বহু ই-মেইল ও আর্থিক অসচ্ছলতার প্রমাণ উপস্থাপনের পর অবশেষে সেই ফিও মওকুফ করা হয়।

এই অভিজ্ঞতা শুধু একজন গবেষকের নয়; এটি নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর হাজার হাজার গবেষকের বাস্তবতা। উচ্চ আয়ের দেশগুলোর যেসব গবেষক প্রকাশনা ফি দেওয়ার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বা ব্যক্তিগত গবেষণা অনুদান পান না, তাঁরাও একই সংকটে পড়েন। তাঁদের ক্ষেত্রে আর্থিক অক্ষমতার ভিত্তিতে ছাড় চাওয়াও অনেক সময় কঠিন। অর্থাৎ গবেষণার মান বা গবেষকের যোগ্যতার বাইরেও ভৌগোলিক অবস্থান ও গবেষণা অর্থায়নের সুযোগ কখনো কখনো জ্ঞান প্রকাশের সক্ষমতা নির্ধারণ করে দেয়।

ওপেন অ্যাকসেস আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল গবেষণার ফলাফল সবার জন্য উন্মুক্ত হবে, এই মহৎ স্বপ্ন নিয়ে। কিন্তু সেই স্বপ্নের অর্থনৈতিক ভার ক্রমশ গবেষকদের কাঁধে চাপানো হয়েছে। ফলাফল হলো, জ্ঞান মুক্ত হয়েছে, কিন্তু গবেষক মুক্ত হননি। অধিকাংশ ক্ষেত্রে গবেষণার অর্থায়ন আসে রাষ্ট্র, বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা জনগণের করের অর্থ থেকে। গবেষণা করেন গবেষকেরা; গবেষণাপত্র মূল্যায়নও করেন গবেষকেরাই, তা–ও বিনা পারিশ্রমিকে। সম্পাদকীয় কাজের বড় অংশও তাঁদের কাঁধে ন্যস্ত; অর্থাৎ জ্ঞান সৃষ্টির প্রতিটি ধাপে মূল শ্রম দেন গবেষকেরাই; আর বাণিজ্যিক প্রকাশক মূলত সেই জ্ঞান প্রচার ও বিতরণের অবকাঠামো সরবরাহ করে।

"গবেষকের শ্রম, সমাজের অর্থায়ন এবং সহকর্মী গবেষকদের স্বেচ্ছাসেবী মূল্যায়নের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা এই জ্ঞানব্যবস্থার সবচেয়ে বড় আর্থিক সুবিধাভোগী যদি শেষ পর্যন্ত বাণিজ্যিক প্রকাশকই হয়, তবে সেই ব্যবস্থা কতটা ন্যায়সংগত, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।"

আজকের বৈজ্ঞানিক প্রকাশনাশিল্প পৃথিবীর অন্যতম লাভজনক জ্ঞান-ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। এই লেখক-অর্থায়িত প্রকাশনা মডেলের সুযোগে হাজার হাজার ভুঁইফোঁড় বা প্রিডেটরি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। মানুষের জীবন ও সমাজে ইতিবাচত প্রভাব ফেলেছে কিনা তা প্রশ্ন করা হলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় সেই উত্তর প্রায়ই মেট্রিকের আড়ালে চাপা পড়ে যায়। সংখ্যা কখনোই মানের বিকল্প নয়; মেট্রিক কখনোই চিন্তার বিকল্প হতে পারে না।

গবেষকদের দুর্বলতা, চাকরি ও পদোন্নতির চাপ এবং সংখ্যাভিত্তিক মূল্যায়ন ব্যবস্থাকে পুঁজি করে ব্যবসা করছে অনেক প্রকাশনা সংস্থা। প্রতিষ্ঠিত প্রকাশনা সংস্থার কিছু জার্নালে, বিশেষত কিছু মেগা-জার্নালের ক্ষেত্রে, প্রকাশনার পরিমাণ ও বাণিজ্যিক স্বার্থকে ঘিরে এমন প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যা প্রকাশনা ব্যবস্থার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলে। একই সঙ্গে কিছু পেশাজীবী বৈজ্ঞানিক সমিতির জার্নালও এমন অর্থনৈতিক মডেলের দিকে এগোচ্ছে, যেখানে প্রকাশনার ব্যয়ের বড় অংশ লেখকদের ওপর স্থানান্তরিত হচ্ছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: একজন বাংলাদেশি গবেষক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ হাজার মার্কিন ডলার, ১১ লাখ টাকা, ৩ হাজার ২৮০ ডলার, ৬৮০ ডলার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖