📌 নরসিংদীর রায়পুরা থেকে নীলকুঠি পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার সড়কের সংস্কার না হওয়ায় পিচ উঠে অসংখ্য গর্ত ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিকল্প সড়ক না থাকায় যানবাহনচালক ও পথচারীরা দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে রয়েছেন
নরসিংদীর রায়পুরা থেকে নীলকুঠি পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ আঞ্চলিক সড়কটির সংস্কার না হওয়ায় বেহাল অবস্থায় রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে যাওয়ায় অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির সময় গর্তগুলোতে পানি ও কাদা জমে কয়েকটি ইউনিয়নের হাজারো মানুষ, যানবাহনচালক, যাত্রী ও পথচারীরা দুর্ভোগের সম্মুখীন হচ্ছেন। গর্তে পড়ে প্রায়ই দুর্ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রায়পুরা থেকে নীলকুঠি পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিলোমিটার সড়কের সংস্কার না হওয়ায় পিচ উঠে গর্ত ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে
- 📌 মুছাপুর, মহেশপুর, রায়পুরা ইউনিয়নসহ কয়েকটি ইউনিয়নের হাজারো মানুষ যাতায়াত করছেন এই সড়ক দিয়ে
- 📌 গর্তে পানি জমে থাকায় পথচারী ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ বেড়েছে, অনেক সময় হেঁটে চলাচলও অসম্ভব হয়ে পড়েছে
- 📌 স্থানীয়রা জানান, সড়কের পাশে পর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি বছর একই সমস্যা দেখা দেয়
📰 বিস্তারিত
রায়পুরা থেকে নীলকুঠি পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির সংস্কার না হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে অসংখ্য গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, পৌর রায়পুরা বাজারের পর ঝুগীবাড়ি, হাসানের মোড়, রাজপ্রাসাদ, আশরাফপুর, মহেশপুর, সাপমারা ও মুছাপুর এলাকায় সড়কটির অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। কোথাও কোথাও বড় গর্তে পানি ও কাদা জমে রয়েছে। এসব অংশে ধীরগতিতে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ট্রাক্টর, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, সিএনজি, ইজিবাইকসহ বিভিন্ন যানবাহন।
ভুক্তভোগীরা জানান, পূর্বাঞ্চলের মির্জাপুর, মুছাপুর, মহেশপুর, চাঁনপুর, শ্রীনগর ও রায়পুরা ইউনিয়নের হাজারো মানুষের উপজেলা ও জেলা সদরে যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম এই সড়ক। বিকল্প সড়ক না থাকায় ঝুঁকি নিয়েই তাঁদের চলাচল করতে হচ্ছে। সড়কের গর্তে পানি জমে থাকায় পথচারী ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগও বেড়েছে। যানবাহন ধীরগতিতে চলার সময় গর্তের কাদাপানি ছিটকে পড়ছে পথচারী ও শিক্ষার্থীদের শরীরে। এতে পোশাক নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মজনু মিয়া বলেন, ‘মুছাপুর, মহেশপুর, রায়পুরা ইউনিয়নসহ আশপাশের হাজার হাজার মানুষ এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে। প্রায়ই গাড়ি গর্তে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটে। রাস্তা দিয়ে চলাচল করলে শরীর ব্যথা হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে এই অবস্থা—দেখার যেন কেউ নেই। দ্রুত রাস্তাটা ভালো করা দরকার।’
অটোরিকশাচালক আবদুর রহিম বলেন, ‘বড় বড় গর্তে পানি জমে থাকায় ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হয়। গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রপাতি প্রায়ই নষ্ট হয়। কাদাপানি যাত্রীদের গায়ে ছিটকে পড়ে, এ কারণে অনেকে গাড়িতে উঠতে চান না। আয়ও আগের তুলনায় কমে গেছে।’ চালক মজনু মিয়া বলেন, ‘দিনে ১০ থেকে ১২ বার এই সড়কে গাড়ি চালাই। দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগের মধ্যে আছি। গর্তে পানি জমে থাকায় প্রায়ই গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়, যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়।’
‘সড়কের গর্তে সব সময় পানি জমে থাকে। স্কুলে যাতায়াতের সময় গাড়ির চাকায় গর্তের কাদাপানি ছিটকে পোশাক নষ্ট হয়ে যায়। অনেক সময় হেঁটেও চলা যায় না।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রায়পুরা, নরসিংদী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মজনু মিয়া, আবদুর রহিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ কিলোমিটার, ১০ বার, ১২ বার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!