📌 খুলনার ফকিরহাটের যাত্রাপুর এলাকায় বিরল প্রজাতির সাদা পাকুড় গাছের সন্ধান পেয়েছেন পর্যটক ও লেখকরা। স্থানীয় গ্রামবাসীদের মতে, গাছটির বয়স প্রায় ৭০ থেকে ৮০ বছর। আইইউসিএন বাংলাদেশ একে বিপন্ন প্রজাতির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে
খুলনার ফকিরহাটের যাত্রাপুর এলাকায় বিরল প্রজাতির সাদা পাকুড় গাছের সন্ধান পেয়েছেন পর্যটক ও লেখকরা। তাঁরা জানিয়েছেন, গাছটির বয়স প্রায় ৭০ থেকে ৮০ বছর হতে পারে। স্থানীয় গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গাছটির চারপাশে পরাশ্রয়ী উদ্ভিদ জন্মানোর কারণে গাছটির স্বাস্থ্য ক্রমশ খারাপ হয়ে যাচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনার ফকিরহাটের যাত্রাপুর এলাকায় বিরল প্রজাতির সাদা পাকুড় গাছের সন্ধান মিলেছে
- 📌 গাছটির বয়স আনুমানিক ৭০ থেকে ৮০ বছর হতে পারে বলে স্থানীয়দের ধারণা
- 📌 আইইউসিএন বাংলাদেশ গাছটিকে ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত প্রজাতির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে
- 📌 গাছটির চারপাশে পরাশ্রয়ী উদ্ভিদ জন্মানোর কারণে গাছটির স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
এ বছরের ২৭ মে সকালবেলায় খুলনা থেকে যাত্রাপুর বাজারের দিকে রওনা দেন পর্যটক ও লেখকরা। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল পাখিবিদ ও লেখক শরীফ খানের সঙ্গে দেখা করা। যাত্রাপুর বাজারের কাছেই রাস্তার ধারে তাঁরা একটি প্রাচীন গাছ দেখতে পান, যার ডালে সাদা রঙের ফল ধরেছিল। গাছটির পাতা দেখে তাঁরা সেটিকে সাদা পাকুড় হিসেবে শনাক্ত করেন।
স্থানীয় গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাঁরা ছোটবেলা থেকেই গাছটিকে দেখে আসছেন। তবে গাছটির কিছু ডালপালা মরে যাওয়ার কারণে গাছটির স্বাস্থ্য ক্রমশ খারাপ হয়ে যাচ্ছে। গ্রামবাসীদের মতে, গাছটির চারপাশে বিভিন্ন ধরনের পরাশ্রয়ী উদ্ভিদ জন্মানোর কারণে গাছটির বাকল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
আইইউসিএন বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, গাছটির প্রজাতি ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত হিসেবে তালিকাভুক্ত। এর অর্থ হলো, এই প্রজাতির গাছ বাংলাদেশে অধিকসংখ্যক থাকলেও চোখে পড়েনি। শুধুমাত্র ফকিরহাটের আট্টাকী গ্রামেই গাছটির উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে।
"গাছটির চারপাশে বিভিন্ন ধরনের পরাশ্রয়ী উদ্ভিদ জন্মানোর কারণে গাছটির স্বাস্থ্য ক্রমশ খারাপ হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, গাছটির বয়স প্রায় ৭০ থেকে ৮০ বছর হতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফকিরহাট, খুলনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেখক ও পর্যটক দল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ থেকে ৮০ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!