📌 রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকসহ পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের পর দুই আসামি সেখানে ছয় থেকে সাত ঘণ্টা অবস্থান করে খেজুর ও শসা খেয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ
রংপুর মহানগরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের পর দুই আসামি সেখানে ছয় থেকে সাত ঘণ্টা অবস্থান করে মাদক সেবন ও খেজুর খেয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুর মহানগরের দাসপাড়া মাছুয়াপাড়া এলাকায় গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের চার সদস্যের মৃতদেহ উদ্ধার
- 📌 দুই আসামি মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে ভোর রাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ
- 📌 হত্যাকাণ্ডের পর দুই আসামি ছাদে ইয়াবা সেবন ও খেজুর খেয়েছেন বলে পুলিশের দাবি
- 📌 আসামিরা হত্যাকাণ্ডের পর ছয় থেকে সাত ঘণ্টা ওই বাড়িতেই অবস্থান করেন
- 📌 অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীকে হত্যা করা হয়
📰 বিস্তারিত
রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, দুই আসামি হত্যাকাণ্ডের পর ওই বাড়ির ছাদে বসে ইয়াবা সেবন করেছেন। তারা ফ্রিজ থেকে শসা বের করে খেয়েছেন বলে আলামত পাওয়া গেছে। হত্যাকাণ্ডের পর তারা গোসল করেন এবং আগুনে টেস্ট করা চুড়ির আলামতও পাওয়া যায়।
রংপুরের ডিবি ডিসি সনাতন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, দুই আসামিকে ভোর রাতে গ্রেফতার করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তারা হত্যাকাণ্ডের কথা অকপটে স্বীকার করেছেন। আসামিদের একসাথে ও আলাদাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে বলে তিনি জানান।
নিহত শিক্ষকের ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, তিনি গ্রাম থেকে খবর পেয়ে এসে মামলা করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে পুলিশ সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করবে।
"ইয়াবা খাওয়ার আলামত পেয়েছি। খেজুরের বিচি পেয়েছি। ফ্রিজ থেকে বের করে শসা খেয়েছে তারও আলামত পেয়েছি। খুন শেষের পর তারা গোসল করে। আগুনে টেস্ট করা চুড়ি পেয়েছি। তখন মনে হয়েছে গোল্ডের বিষয়ে অভিজ্ঞ কেউ জড়িত থাকতে পারে। এসব আলামত বিশ্লেষণ করে আমরা আসামি গ্রেফতারে সমর্থ হয়েছি"
"ভোর রাতে সন্দেহভাজন দুজনকে আটকের পর তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তারা অকপট খুনের কথা স্বীকার করেছে। আমরা তাদের একসাথে ও আলাদা ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে নিশ্চিত হয়েছি,"
"আমি খবর পেয়ে গ্রাম থেকে এসেছি। মামলা করেছি। আশা করি সঠিক তদন্ত করে তারা (পুলিশ) বের করবে কী হয়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর মহানগরের দাসপাড়া মাছুয়াপাড়া এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গণপতি চক্রবর্তী, প্রীতিলতা চক্রবর্তী, আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী, প্রিয়ম চক্রবর্তী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জন হত্যা, ৬-৭ ঘণ্টা অবস্থান, ১২ বছর বয়সী শিশু হত্যা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!