📌 ফেনী পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার ঘোষণা দিয়েছেন, দুর্গাপূজায় মদ খেয়ে নাচানাচি করলে পুলিশ তাদের ঘাড়ে ধরে নিয়ে যাবে এবং আইনি ব্যবস্থা নেবে। জেলা প্রশাসকও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার কথা বলেছেন
ফেনী জেলায় দুর্গাপূজার সময় মদ খেয়ে নাচানাচি বা মাতলামি করলে পুলিশ তাদের ঘাড়ে ধরে নিয়ে যাবে এবং আইনি ব্যবস্থা নেবে। ফেনীর পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার এই ঘোষণা দিয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত দুর্গাপূজা উদ্যাপন প্রস্তুতি সভায় তিনি এই কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফেনী পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার ঘোষণা দিয়েছেন, দুর্গাপূজায় মদ খেয়ে মাতলামি করলে পুলিশ তাদের ঘাড়ে ধরে নিয়ে যাবে এবং আইনি ব্যবস্থা নেবে
- 📌 পুলিশ সুপার বলেছেন, ফেনী সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় মদ সহজলভ্য, পূজা চলাকালীন মদ খেয়ে নাচানাচি করলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না
- 📌 জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম বলেছেন, প্রতিটি পূজামণ্ডপে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে
- 📌 ফেনীতে এবার ১৫৩টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে, এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৬৫টি, ফুলগাজীতে ৩৪টি, সোনাগাজীতে ২৩টি, দাগনভূঞায় ১৯টি, পরশুরামে ৭টি ও ছাগলনাইয়ায় ৫টি মণ্ডপে অনুষ্ঠান
- 📌 ফেনী জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে ভালো, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য কমিয়েছে পুলিশ
📰 বিস্তারিত
ফেনীর পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার বলেন, ‘ফেনী সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় এখানে মদ সহজলভ্য। পূজা চলাকালীন কেউ মদ খেয়ে নাচানাচি করলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ঘাড়ে ধরে নিয়ে আসা হবে। আমাদের মেডিক্যাল টিম তাদের ওয়াশ করিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘পূজায় দুই-একজন মদ খেয়ে মাতলামি করে পরিবেশ নষ্ট করে। তাদের দেখাদেখি অন্যরাও এমন কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। পুলিশ এসব কঠোর হাতে দমন করবে।’
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি বলেন, ‘পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় পুলিশ, এসআরবি, আনসার, বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি পূজামণ্ডপে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকের মাধ্যমে নিজস্ব নিরাপত্তাব্যবস্থা করতে হবে। পূজায় কোনো সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে কন্ট্রোল রুম খোলা হবে।’
ফেনী জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি সমীর কর বলেন, ‘আমি ইতিপূর্বে ৭ বছর জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। এ অবস্থায় মদ খেয়ে কোথাও কেউ মাতলামি করেছে, এমন কোনো ঘটনা আমার জানা নেই। তবে পুলিশ সুপার যে বক্তব্যটি দিয়েছেন, সেটির সঙ্গে আমরা একমত। পূজাকে কেন্দ্র করে কেউ অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে যদি মদ খেয়ে মাতলামির মতো কর্মকাণ্ড করে থাকে, তাহলে অবশ্যই তাকে আইনের আওতায় আনা উচিত।’
"‘ফেনী সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় মদ সহজলভ্য। পূজা চলাকালীন কেউ মদ খেয়ে নাচানাচি করলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ঘাড়ে ধরে নিয়ে আসা হবে। আমাদের যে মেডিক্যাল টিম থাকবে, সেখানে এনে ওয়াশ করিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’ — ফেনীর পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফেনী জেলা, চট্টগ্রাম বিভাগ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফেনীর পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম, সভাপতি সমীর কর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫৩টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা, সদর উপজেলায় ৬৫টি, ফুলগাজীতে ৩৪টি, সোনাগাজীতে ২৩টি, দাগনভূঞায় ১৯টি, পরশুরামে ৭টি, ছাগলনাইয়ায় ৫টি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!