📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৪:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গুমের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রাষ্ট্রপতি: ফ্যাসিবাদ ও আয়নাঘরের পুনরাবৃত্তি হবে না

গুমের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রাষ্ট্রপতি: ফ্যাসিবাদ ও আয়নাঘরের পুনরাবৃত্তি হবে না

📷 ছবি: Jamuna TV

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 যমুনা টিভি ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে বলেছেন, বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ ও গুমের পুনরাবৃত্তি ঘটবে না। তিনি প্রতিটি গুমের ঘটনার বিচার ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসনের দাবি জানান

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার সকল পথ চিরতরে বন্ধ হয়ে গেছে। তিনি আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের আলোচনা সভায় আরও বলেন, রাষ্ট্র গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াবে এবং প্রতিটি গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার সকল পথ চিরতরে বন্ধ করা হয়েছে
  • 📌 তিনি প্রতিটি গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন
  • 📌 রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না এবং কোনো পরিবারকে চোখের পানি ফেলতে হবে না
  • 📌 তিনি একটি গণতান্ত্রিক, কল্যাণমুখী ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন

📰 বিস্তারিত

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, গুম কোনো সাধারণ অপরাধ নয়, বরং এটি মানবতাবিরোধী অপরাধ। গুম শুধু একজন মানুষকে কেড়ে নেয় না, কেড়ে নেয় প্রিয়জনদের হাসি, শান্তি, স্বপ্ন ও অর্থনৈতিক স্বস্তি।

তিনি আরও বলেন, বিগত দেড় দশকে ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে নির্যাতনের শিকার পরিবারের কথা তুলে ধরে ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম, সুমনসহ অগণিত মানুষের গুমের ঘটনা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ব্যারিস্টার আরমান, আজমীসহ ভিন্নমতাবলম্বীদের অনেককে বছরের পর বছর ‘আয়নাঘরে’ বন্দি রাখা হয়েছিল।

রাষ্ট্রপতি বলেন, শুধু অপরাধীদের শাস্তি দিলেই রাষ্ট্রের দায়িত্ব শেষ হবে না। যেসব পরিবার বছরের পর বছর প্রিয়জনের অপেক্ষায় সীমাহীন অনিশ্চয়তা, আর্থিক সংকট ও মানসিক যন্ত্রণা বহন করেছে, তাদের মর্যাদা, সামাজিক নিরাপত্তা, চিকিৎসা, শিক্ষা, জীবিকা ও পুনর্বাসনের দায়িত্বও রাষ্ট্রকে গ্রহণ করতে হবে।

"এই স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো 'আয়নাঘর' থাকবে না। আর কোনো মাকে সন্তানের জন্য, কোনো স্ত্রীকে স্বামীর জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে না। প্রতিটি গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের, তা সে যত বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেন, বিচারের মুখোমুখি করা হবে। আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি তাদের পেতেই হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ (আগস্ট)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖