📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিদ্যুৎ গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণ তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন, পাঁচ দিনে প্রতিবেদন দিতে হবে

বিদ্যুৎ গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণ তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন, পাঁচ দিনে প্রতিবেদন দিতে হবে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পাওয়ার গ্রিড পিএলসি ঢাকার পূর্বাঞ্চল ও চট্টগ্রামের বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ তদন্তে কমিটি গঠন করেছে। পাঁচ সদস্যের এই কমিটিকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে হবে। আগামীকালের ঘটনাটি ২০২২ ও ২০১৪ সালের বিপর্যয়ের মতোই ছিল

দেশের বিদ্যুৎ গ্রিডে আজ মঙ্গলবার বেলা পৌনে একটার দিকে ঢাকার পূর্বাঞ্চল ও চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে সেটির কারণ জানতে পাওয়ার গ্রিড পিএলসি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন সঞ্চালন-২–এর প্রধান প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সৈয়দ এবাদুল্লাহ হায়দার আলী।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ তদন্তের জন্য, নেতৃত্বে সৈয়দ এবাদুল্লাহ হায়দার আলী
  • 📌 পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে হবে
  • 📌 বিপর্যয়ের সময় ঢাকার পূর্বাঞ্চল ও চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ চলে যায়, প্রায় দুই ঘণ্টা পর ধাপে ধাপে সরবরাহ শুরু হয়
  • 📌 ২০২২ সালের ৪ অক্টোবর ও ২০১৪ সালের ১ নভেম্বরেও জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয় ঘটেছিল

📰 বিস্তারিত

পাওয়ার গ্রিড পিএলসি একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে করণীয় সম্পর্কে মতামত ও সুপারিশমালা প্রণয়নের জন্য এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে প্রকৌশলীরা ধাপে ধাপে সংযোগ পুনঃস্থাপনের কাজ করছেন। জাতীয় লোড ডেসপাচ সেন্টারের (এনএলডিসি) নিয়ন্ত্রণে থাকা জাতীয় গ্রিডের কার্যক্রমের কারণে দেশের উত্তরাঞ্চলসহ অন্যান্য এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল ও স্বাভাবিক রয়েছে।

আজকের ঘটনাটি ২০২২ সালের ৪ অক্টোবর বেলা ২টা ৫ মিনিটে পূর্বাঞ্চলীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের মতোই ছিল। সেটিও ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহসহ দেশের বড় অংশকে বিদ্যুৎহীন করে দিয়েছিল। পরে তিন থেকে আট ঘণ্টার মধ্যে ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছিল। এর আগে ২০১৪ সালের ১ নভেম্বর জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে সারা দেশে প্রায় ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল।

বিপর্যয়ের পর বেশ কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। প্রায় দুই ঘণ্টা পর এক এক করে বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করা শুরু হয়। ধীরে ধীরে সরবরাহ বাড়তে থাকে।

‘বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে করণীয় সম্পর্কে মতামত ও সুপারিশমালা প্রণয়নের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে’ — পাওয়ার গ্রিড পিএলসি বিজ্ঞপ্তি

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকার পূর্বাঞ্চল, চট্টগ্রামের একাংশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৈয়দ এবাদুল্লাহ হায়দার আলী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ (কর্মদিবস), ২ (ঘণ্টা), ৪ (অক্টোবর), ১২ (ঘণ্টা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖