📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

'পথের বন্ধু' ফ্রান্সের বাস্তব লোকেশন থেকে গল্প বলছে: তৌকীর, ফাইজুল ও স্বর্ণালির অভিজ্ঞতা

'পথের বন্ধু' ফ্রান্সের বাস্তব লোকেশন থেকে গল্প বলছে: তৌকীর, ফাইজুল ও স্বর্ণালির অভিজ্ঞতা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 'দ্য অরেঞ্জ' বা 'পথের বন্ধু' চলচ্চিত্রের ফ্রান্সে শুটিং চলছে ২৫টি শহরে বাস্তব লোকেশনে। পরিচালক স্বপন আহমেদের এই প্রকল্পে তৌকীর আহমেদ, ফাইজুল ইয়ামীন ও স্বর্ণালি চৈতী অভিনয় করছেন। ফ্রান্সের প্রতিদিনের জীবন ও প্রবাসী বাঙালির গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে নাসির চরিত্র

বাংলাদেশ-ফ্রান্স যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হচ্ছে ‘দ্য অরেঞ্জ’ বা ‘পথের বন্ধু’ চলচ্চিত্র। ফ্রান্সের ২৫টি শহরে বাস্তব লোকেশনে চলমান এই শুটিংয়ে পরিচালক স্বপন আহমেদের নেতৃত্বে অভিনয় করছেন তৌকীর আহমেদ, ফাইজুল ইয়ামীন ও স্বর্ণালি চৈতী। ফ্রান্সের প্রতিদিনের জীবন ও প্রবাসী বাঙালির কষ্টের গল্পের এই চলচ্চিত্রে আইফেল টাওয়ারের মতো পর্যটকদের পোস্টকার্ডের দৃশ্য নেই। বরং রাস্তাঘাট, বাজার, ছোট শহর ও উপকূলই হলো মূল লোকেশন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ফ্রান্সের ২৫টি শহরে বাস্তব লোকেশনে চলছে ‘পথের বন্ধু’ চলচ্চিত্রের শুটিং।
  • 📌 পরিচালক স্বপন আহমেদের এই প্রকল্পে তৌকীর আহমেদ, ফাইজুল ইয়ামীন ও স্বর্ণালি চৈতী অভিনয় করছেন।
  • 📌 নাসির চরিত্রে তৌকীর আহমেদের গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে ৯০-এর দশকের বাংলাদেশের প্রবাসী বাঙালি।
  • 📌 ফ্রান্সের প্রতিদিনের জীবন ও প্রবাসী বাঙালির গল্পের এই চলচ্চিত্রে আইফেল টাওয়ারের মতো পর্যটকদের পোস্টকার্ডের দৃশ্য নেই।
  • 📌 শুটিংয়ের জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সহযোগিতা পাচ্ছেন পরিচালক ও অভিনয়শিল্পীরা।
  • 📌 ফ্রান্সে প্রথমবারের মতো সিনেমার শুটিং করছেন স্বর্ণালি চৈতী।

📰 বিস্তারিত

ফ্রান্সের শুটিংয়ে স্বপন আহমেদ আলাদা কোনো সেট তৈরি করেননি। নদীর পাড়ের বেঞ্চ, রাস্তার পাশ, ছোট শহরের পথ বা চলন্ত গাড়ি—যেখানে গল্পের প্রয়োজন, সেখানেই ক্যামেরা বসছে। তৌকীর আহমেদ বলেন, ‘প্যারিসের শাহবাগে না, আমরা সাভার, পুবাইল, রংপুর, কক্সবাজারে শুটিং করছি’। পরিচালক স্বপন আহমেদ জানান, ফ্রান্সের প্রতিদিনের জীবনই এই চলচ্চিত্রের মূল বিষয়বস্তু। তাই ছবিতে রাস্তাঘাট, বাজার, ছোট শহর ও উপকূলের দৃশ্য রয়েছে।

নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশের কুড়িগ্রামের একটি পরিবারের গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে নাসির। নদীভাঙনে বিলীন হয়ে যায় তাঁর গ্রাম। ১২ বছর পর দেশে ফিরে তিনি দেখেন বদলে যাওয়া এক বাস্তবতা। গল্পের একপর্যায়ে প্যারিসের রাস্তায় তাঁর সঙ্গে ঘটনাচক্রে নদীর দেখা হয়। পরে দর্শক জানতে পারবেন, মেয়েটিই নাসিরের মেয়ে। এই সম্পর্কের সূত্র মেলে কীভাবে, সেটিই ছবির গল্পের রহস্য।

তৌকীর আহমেদের মতে, নাসির চরিত্রটি নতুন অভিজ্ঞতা। তিনি বলেন, ‘দর্শক তো আমাকে নানাভাবে দেখেছেন। সেই ক্ষেত্রে শিল্পীর একটা ইমেজও তৈরি হয়ে যায়। সেখান থেকে বেরিয়ে ভালো চরিত্রে কাজ করাটা অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং’। ফাইজুল ইয়ামীন ও স্বর্ণালি চৈতীও এই অভিজ্ঞতাকে নতুন করে শেখার সুযোগ বলে মনে করছেন। স্বর্ণালি বলেন, ‘মনে হচ্ছে না, দেশের বাইরে থাকলেও নিজের মানুষদের কাছাকাছি থাকার অনুভূতি পাচ্ছি মালিহা আহমেদের আন্তরিক সহযোগিতায়’।

"শুধু শুটিং নয়, মনে হচ্ছে, ফ্রান্সটাও দেখা হচ্ছে। প্রতিদিন নতুন জায়গায় যেতে হচ্ছে, যা শুধু ভ্রমণ নয়, অভিজ্ঞতার নতুন স্তর"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফ্রান্সের ২৫টি শহর (প্যারিস, রংপুর, কক্সবাজার, গ্রাম, উপকূল)
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: পরিচালক স্বপন আহমেদ, তৌকীর আহমেদ, ফাইজুল ইয়ামীন, স্বর্ণালি চৈতী, নাসির (চরিত্র)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫টি শহর, ২০০-৩০০ কিলোমিটার, ১২ বছর, ৫টি চলচ্চিত্র (স্বর্ণালি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖