📌 ঢাকার ঘুন্টিঘর এলাকায় মাদক কেনাবেচার জন্য তৈরি অবৈধ ঘরগুলো পুলিশ ও সিটি করপোরেশন উচ্ছেদ করেছে। অভিযানে ১৪ জন আটক হয়েছিলেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও পুলিশের যৌথ প্রচেষ্টায় এলাকাটি পরিষ্কার করা হয়েছে
ঢাকার ঘুন্টিঘর এলাকায় মাদকের আস্তানা হিসেবে পরিচিত অবৈধ স্থাপনাগুলো পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের যৌথ প্রচেষ্টায় সম্পূর্ণ উচ্ছেদ করেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে শুরু হওয়া এই অভিযানে রেললাইনের পাশে গড়ে ওঠা ছোট ঘরগুলো হুইল লোডার দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। এলাকাটি পরিষ্কার করে যানবাহন চলাচলের জন্য উপযোগী করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৭ অক্টোবর বেলা ১১টা ৩০ মিনিট থেকে শুরু হওয়া অভিযানে ঘুন্টিঘর এলাকার অবৈধ মাদক আস্তানাগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে।
- 📌 গত ১৯ অক্টোবর অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ও এসআরবি-১০-এর যৌথ প্রচেষ্টায় ১৪ জনকে আটক করা হয়েছিল।
- 📌 গেন্ডারিয়া থানার ওসি মনিরুজ্জামান মনির বলেছেন, রেললাইনের পাশে মাদকের আড্ডা উচ্ছেদ করা হয়েছে এবং এলাকাটি সম্পূর্ণ পরিষ্কার করা হয়েছে।
- 📌 মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়েছিল।
- 📌 মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন অভিযানে নিজের লাইসেন্স করা পিস্তল প্রদর্শনের ঘটনায় সমালোচনার মুখে পদত্যাগ করেন।
📰 বিস্তারিত
ঘুন্টিঘর রেলস্টেশন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক কেনাবেচা ও সেবনের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের যৌথ প্রচেষ্টায় এই এলাকার অবৈধ স্থাপনাগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে। গত ১৯ অক্টোবর অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ও এসআরবি-১০-এর যৌথ প্রচেষ্টায় অন্তত ১৪ জনকে আটক করা হয়েছিল। এই অভিযানে উপপরিচালক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল অংশ নিয়েছিল।
গতকালের অভিযানে সিটি করপোরেশনের হুইল লোডার দিয়ে অবৈধ স্থাপনাগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। গেন্ডারিয়া থানার ওসি মনিরুজ্জামান মনির বলেছেন, ‘ঘুন্টিঘর এলাকায় রাস্তা-ঘাট সব পরিষ্কার করে গাড়ি চলাচলের যোগ্য করেছি। রেললাইনের পাশে যে মাদকের আড্ডা ছিল, ওইটা উচ্ছেদ করা হয়েছে। একদম নিট অ্যান্ড ক্লিন করে সবসময় গাড়ি মুভমেন্ট করবে।’ তিনি আরও বলেন, সিটি করপোরেশনের যন্ত্রপাতি, সাবেক কাউন্সিলর, পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা উচ্ছেদ অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের অভিযান সম্পর্কিত একটি ঘটনা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল। তিনি অভিযানে নিজের লাইসেন্স করা পিস্তল প্রদর্শনের ঘটনায় সমালোচনার মুখে পদত্যাগ করেন। তিনি বলেছিলেন, ‘পুলিশ সেখানকার মাদকের আস্তানা ভাঙতে পারেনি। পুলিশের সাহস হয়নি ঘুণ্টঘরের মাদক নির্মুল করতে। তাই সেখানে আমাকে অভিযান চালাতে যেতে হয়েছিল।’
"সিটি করপোরেশনের যন্ত্রপাতি, সাবেক কাউন্সিলর, পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা উচ্ছেদ অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন। এ কাজে এলাকার মানুষের সহযোগিতা রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, ঘুন্টিঘর এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওসি মনিরুজ্জামান মনির, উপপরিচালক আনোয়ার হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ অক্টোবর, ১১টা ৩০ মিনিট, ১৯ অক্টোবর, ১৪ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!