📅 ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ডিজিটাল খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান ও এআই কেন্দ্রে রূপান্তর: সরকারের পাঁচ বছরের লক্ষ্য

ডিজিটাল খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান ও এআই কেন্দ্রে রূপান্তর: সরকারের পাঁচ বছরের লক্ষ্য

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার পাঁচ বছরে ডিজিটাল খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বাংলাদেশকে এআই আঞ্চলিক কেন্দ্রে পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৬’ সম্মেলনে এ লক্ষ্য ঘোষণা করেন

বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) আঞ্চলিক কেন্দ্রে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে সরকার পাঁচ বছরে ডিজিটাল খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৬’ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির আলোকে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার জন্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৫ বছরে ১০ লাখ ডিজিটাল কর্মসংস্থান**: সরকারের লক্ষ্য পাঁচ বছরে ডিজিটাল খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।
  • 📌 **এআই আঞ্চলিক কেন্দ্র**: বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আঞ্চলিক কেন্দ্রে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
  • 📌 **আধুনিক অবকাঠামো**: দেশের প্রতিটি অঞ্চলে নির্ভরযোগ্য, নিরাপদ ও উচ্চগতির ডিজিটাল সংযোগ নিশ্চিত করার জন্য টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
  • 📌 **সাশ্রয়ী স্মার্টফোন**: ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে স্মার্টফোন উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
  • 📌 **৫টি কৌশলগত অগ্রাধিকার**: ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে সরকার পাঁচটি কৌশল নির্ধারণ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী আইনি কাঠামো, নির্ভরযোগ্য সংযোগ, ডিজিটাল পাবলিক অবকাঠামো, এআই ও সাইবার নিরাপত্তা, এবং দেশীয় উৎপাদন।
  • 📌 **জাতীয় এআই নীতিমালা**: আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শেষ হবে।
  • 📌 **হুয়াওয়ের অংশীদারিত্ব**: হুয়াওয়ে বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে সরকার ও শিল্পখাতের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

📰 বিস্তারিত

‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৬’ সম্মেলনে টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির আলোকে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দেশীয় উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, সরকার, দেশীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি অংশীদারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রতিযোগিতামূলক ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট’ এখন জাতীয় পর্যায়ের একটি প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার, শিল্পখাত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে এ সম্মেলন নীতিনির্ধারক ও শিল্পখাতের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের সুযোগ তৈরি করেছে। তিনি বলেন, ডিজিটাল অবকাঠামো এখন আর বিলাসিতা নয়; বরং সমৃদ্ধ, বিনিয়োগনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা বলেন, ডিজিটাল ব্যবস্থার সঙ্গে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সংযোগ নিশ্চিত করতে নেটওয়ার্ক উন্নয়নের পাশাপাশি সাশ্রয়ী স্মার্টফোনের বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। তিনি জানান, দেশে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যে স্মার্টফোন উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে এবং আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে এটি সম্পন্ন করার আশা করছে সরকার।

হুয়াওয়ের দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট জেসন উ বলেন, বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামোর উন্নয়ন ও প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণে সরকার এবং শিল্পখাতের অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হুয়াওয়ে। তিনি বলেন, সংযোগব্যবস্থা, ক্লাউড ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের দক্ষতা বৃদ্ধি, নতুন সেবা উদ্ভাবন এবং বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।

"প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির আলোকে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র, ঢাকা
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, ড. মো. কামরুজ্জামান, মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা, জেসন উ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লাখ (কর্মসংস্থান), ৫ বছর, ৪-৫ হাজার টাকা (স্মার্টফোন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖