📌 যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) একজন স্নাতকোত্তর ছাত্র সহপাঠীকে আঘাত করে কানের পর্দা ফাটিয়ে দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্তের পর তাকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) একটি ছাত্রকে সহপাঠীকে আঘাত করে কানের পর্দা ফাটিয়ে দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার নিত্যানন্দ পাল গতকাল সোমবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২ অক্টোবর শহীদ মসিয়ূর রহমান হল এলাকায় ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী জুয়েল আল ইমরানকে আহত করার অভিযোগে তানভীরুল হককে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে
- 📌 ১৪ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কাজী মো. জালাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত আদেশে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে
- 📌 তানভীরুল ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী, যিনি এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না
- 📌 বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণের দায়িত্ব নেবে
- 📌 রিজেন্ট বোর্ডের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সাময়িক বহিষ্কারাদেশ কার্যকর থাকবে
📰 বিস্তারিত
যবিপ্রবির রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আদেশ অনুযায়ী গঠিত তদন্ত কমিটি ঘটনার তদন্তে তানভীরুল হকের বিরুদ্ধে জুয়েল আল ইমরানকে শারীরিকভাবে আঘাত ও গুরুতর আহত করার অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে। তদন্ত কমিটির সুপারিশে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী তানভীরুলের বিরুদ্ধে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী তানভীরুল হক এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস, পরীক্ষা বা অন্যান্য কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না। এছাড়াও, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও ক্যাম্পাসে প্রবেশের ক্ষেত্রেও তার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. হামিদুর রহমান জানান, ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিয়েছে। ভবিষ্যতে যদি কোনো শারীরিক সমস্যা হয়, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণের দায়িত্ব নেবে।
তানভীরুলের শাস্তির বিষয়ে প্রক্টর বলেন, আপাতত তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। রিজেন্ট বোর্ডের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত এই বহিষ্কারাদেশ স্থায়ী হবে না। এ সময়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না এবং আবাসিক হলেও প্রবেশ করতে পারবেন না।
"আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই এবং তা চূড়ান্ত হিসেবে মেনে নিয়েছি। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি আসেনি।" — ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের চেয়ারম্যান এ এইচ এম শাহরিয়ার
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তানভীরুল হক (অভিযুক্ত), জুয়েল আল ইমরান (ভুক্তভোগী), কাজী মো. জালাল উদ্দীন (রেজিস্ট্রার), ড. মো. হামিদুর রহমান (প্রক্টর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ), ১৪ অক্টোবর (বহিষ্কার আদেশের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!