📌 রাঙামাটির সাজেক এলাকায় সংঘাতের দাবিতে ছড়ানো ভিডিওগুলো মিয়ানমার ও আসামের পুরোনো ঘটনার চিত্র। আইএসপিআর জানায়, সাজেকের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু ইউপিডিএফ তা অস্বীকার করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওগুলো আসলে মিয়ানমার ও ভারতের ঘটনার চিত্র
রাঙামাটির সাজেক এলাকায় সাম্প্রতিক সংঘাতের দাবিতে ছড়ানো ভিডিওগুলো আসলে মিয়ানমার ও আসামের পুরোনো ঘটনার চিত্র। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, গত ২২ অক্টোবর সাজেকের গঙ্গারাম বাজারে নিরাপত্তা বাহিনী ও ইউপিডিএফের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। তবে ইউপিডিএফ সংঘাতের দাবি অস্বীকার করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওগুলো আসলে মিয়ানমার ও ভারতের আসামের ঘটনার চিত্র।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিয়ানমারের মংডু শহরে আরাকান আর্মি ও জান্তা বাহিনীর সংঘর্ষের ভিডিওকে বাংলাদেশের সাজেকের ঘটনা বলে প্রচার করা হচ্ছে। ভিডিওটি ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতী-এ প্রকাশিত হয়েছিল।
- 📌 ২০ আগস্টের প্রশিক্ষণ ভিডিওকে ইউপিডিএফের সশস্ত্র গোষ্ঠীর মহড়া বলে প্রচার করা হচ্ছে, কিন্তু ভিডিওতে ইউপিডিএফের কোনো উল্লেখ নেই।
- 📌 আসামের কনটেন্ট নির্মাতা রংজলি নারজারির ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়ানো ভিডিওতে অস্ত্রগুলো আসলে আসল নয়। তিনি ভারতের আসামের বাসিন্দা।
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাজেকের সংঘাতের দাবিতে প্রচারিত ভিডিওগুলো বাংলাদেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি।
📰 বিস্তারিত
রাঙামাটির সাজেক এলাকায় গত ২২ অক্টোবর গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে। তবে ইউপিডিএফ সংঘাতের দাবি অস্বীকার করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওগুলো আসলে মিয়ানমার ও ভারতের আসামের ঘটনার চিত্র।
মিয়ানমারের মংডু শহরে আরাকান আর্মি ও জান্তা বাহিনীর সংঘর্ষের ভিডিওকে বাংলাদেশের সাজেকের ঘটনা বলে প্রচার করা হচ্ছে। দ্য ইরাবতী সংবাদমাধ্যমের ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, মংডু শহরে আরাকান আর্মির সেনারা জান্তা বাহিনীর সঙ্গে লড়াই করছে। ভিডিওতে আরাকান আর্মির দাবি, তারা জান্তা বাহিনীর কয়েকজন সদস্যকে আটক করেছে। এই ভিডিওটি সাজেকের সংঘাতের দাবিতে ছড়ানো হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি প্রশিক্ষণ ভিডিওকে ইউপিডিএফের সশস্ত্র গোষ্ঠীর মহড়া বলে প্রচার করা হচ্ছে। তবে ভিডিওতে ইউপিডিএফের কোনো উল্লেখ নেই। এই ভিডিওটি ২০২৬ সালের ২০ আগস্ট থাই ভাষায় প্রকাশিত হয়েছিল।
আসামের কনটেন্ট নির্মাতা রংজলি নারজারি রংজলি নারজারি নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়ানো ভিডিওতে অস্ত্রগুলো আসলে আসল নয়। তিনি ভারতের আসামের কোকরাঝাড়ের বাসিন্দা। তার অ্যাকাউন্টে প্রায় একই ধরনের আরও ভিডিও পাওয়া যায়।
"আসসালামু আলাইকুম, পার্বত্য চট্টগ্রাম যদি বাঁচাতে চান তাহলে অতি দ্রুত এদেরকে আইনের আওতায় আনা হোক। কারণ এরা ইউপিডিএফ নামের একটা গোষ্ঠী।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাঙামাটির সাজেক (গঙ্গারাম বাজার), মিয়ানমারের মংডু শহর, ভারতের আসামের কোকরাঝাড়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রংজলি নারজারি, আরাকান আর্মির সদস্য, ইউপিডিএফের সদস্য
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ অক্টোবর (সাজেকের ঘটনা), ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ (মিয়ানমারের ভিডিও), ২০ আগস্ট ২০২৬ (প্রশিক্ষণ ভিডিও)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!