📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতিতে রাজনৈতিক প্রভাব বর্জন করে পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও সততাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বিমানবাহিনী সদর দপ্তরে নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধনকালে তিনি দেশের সামরিক স্থিতিশীলতা ও প্রযুক্তিগত স্বয়ংসম্পূর্ণতার ওপর জোর দেন
সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দকে বিবেচনায় না নিয়ে পেশাগত দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও সততাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার বিমানবাহিনী সদর দপ্তরে ‘নৌ ও বিমানবাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ নির্দেশনা প্রদান করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পদোন্নতিতে রাজনৈতিক মতাদর্শ নয়, বরং কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি ও সততাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- 📌 নির্বাচনী পর্ষদের উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় নৌ ও বিমানবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন
- 📌 প্রধানমন্ত্রী বিমানবাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্র, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন ও ভিটিওএল ড্রোনসহ বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন
- 📌 প্রধানমন্ত্রী দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত আধুনিক ড্রোন ও সামরিক সরঞ্জামের উদ্ভাবনী ক্ষমতার প্রশংসা করেন
- 📌 অনুষ্ঠানে তিনি স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ ও গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের শ্রদ্ধা জানান
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে পেশাদারিত্ব ও দক্ষতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বিমানবাহিনী সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী পর্ষদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, পদোন্নতির মানদণ্ড নির্ধারণে রাজনৈতিক ভাবাদর্শ নয়, কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, সততা, বিশ্বস্ততা ও আনুগত্যকেই প্রাধান্য দিতে হবে।
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানে নৌ ও বিমানবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, সামরিক স্থাপনাগুলো দেশের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী বিমানবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্র, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন (ADSI), এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার (ACOC) এবং অ্যারোস্পেস রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্স (ARDC)-এর কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শনকালে তিনি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত আধুনিক ড্রোন, কামিকাজে ড্রোন, ইন্টারসেপ্টর ড্রোন ও ভিটিওএল (VTOL) উড্ডয়ন ব্যবস্থা ঘুরে দেখেন।
প্রধানমন্ত্রী দেশীয় প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও সামরিক আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে এই সক্ষমতা আরও বৃদ্ধির ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত সামরিক সরঞ্জাম দেশের নিরাপত্তা জোরদার করবে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষক সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান এবং বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে উল্লেখ করেন।
"পদোন্নতির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ভাবাদর্শ নয়, বরং কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, সততা, বিশ্বস্ততা, আনুগত্য ও নিযুক্তিগত উপযুক্ততার ওপরই মূল গুরুত্ব দিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিমানবাহিনী সদর দপ্তর, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!