📌 সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে পূর্ব বিরোধের জেরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ অর্ধশতাধিক আহতের দাবি। পুলিশের হিসাবে চারজন আহত হলেও এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত। সহকারী পুলিশ সুপার বলেন, সংঘর্ষকারী শনাক্তের কাজ চলছে
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় পূর্ব বিরোধের জেরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ অর্ধশতাধিক মানুষ আহতের দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মধ্য তাহিরপুর গ্রামে সহকারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, সংঘর্ষে আহতদের সংখ্যা অর্ধশতাধিক। তবে পুলিশের হিসাব অনুযায়ী সংঘর্ষে মাত্র চারজন আহত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সুনামগঞ্জ তাহিরপুর উপজেলায় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ অর্ধশতাধিক আহতের দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।
- 📌 সংঘর্ষে চারজন আহত — পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, তবে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
- 📌 মঙ্গলবার রাতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজনকে জড়ো করার আহ্বান জানানো হয়, যা সংঘর্ষের মূল কারণ।
- 📌 সহকারী পুলিশ সুপার এস এম ফজলে রাব্বী রাজিব বলেন, সংঘর্ষকারী শনাক্তের কাজ চলছে এবং এলাকায় পুনরায় সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকায় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য পুলিশ সতর্ক রয়েছে।
- 📌 পাঁচ গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে পূর্ব বিরোধের জেরে উত্তেজনা চলছিল, যা সংঘর্ষে পরিণত হয়।
📰 বিস্তারিত
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের মধ্য তাহিরপুর গ্রামে বুধবার দুপুরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বিরোধের জেরে পাঁচ গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজনকে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। বুধবার সকালে বিভিন্ন গ্রামের লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেও সেখানে পুলিশের উপস্থিতি থাকায় তখন কোনো সংঘর্ষ হয়নি। তবে দুপুরে এক পক্ষ নৌকাযোগে ঘটনাস্থলে এসে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের সময় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটে, যা পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।
সহকারী পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এস এম ফজলে রাব্বী রাজিব বলেন, মঙ্গলবার রাতে মাইকিংয়ের পর বুধবার সকাল থেকেই ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন ছিল। এ কারণে সকালে কোনো সংঘর্ষ হয়নি। তিনি আরও বলেন, দুপুরে এক পক্ষ নৌকাযোগে ঘটনাস্থলে এসে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে, তবে এলাকায় পুনরায় সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সতর্ক রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি অনুযায়ী, সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছে। তবে পুলিশের হিসাব অনুযায়ী সংঘর্ষে মাত্র চারজন আহত হয়েছে। সংঘর্ষের পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুলিশের কর্মকর্তারা বলেছেন, মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে যারা সংঘর্ষে উসকানি দিয়েছে, তাদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।
"মঙ্গলবার রাতে মাইকিংয়ের পর বুধবার সকাল থেকেই ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন ছিল। এ কারণে সকালে কোনো সংঘর্ষ হয়নি। দুপুরে এক পক্ষ নৌকাযোগে ঘটনাস্থলে এসে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তাহিরপুর উপজেলা, সুনামগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সহকারী পুলিশ সুপার এস এম ফজলে রাব্বী রাজিব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ অক্টোবর (সংঘর্ষের তারিখ), অর্ধশতাধিক আহত (স্থানীয় দাবি), ৪ জন আহত (পুলিশের হিসাব)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!