📌 কক্সবাজারে প্রথমবারের মতো ১ নভেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাসব্যাপী 'কক্সবাজার পর্যটন কার্নিভাল ২০২৬' অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও স্পেলবাউন্ড কমিউনিকেশনসের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই কার্নিভালে সমুদ্রসৈকত থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিনোদনমূলক কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে।
কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতকে নতুন মাত্রায় উন্নীত করার লক্ষ্যে ১ নভেম্বর থেকে শুরু হবে তিন মাসব্যাপী 'কক্সবাজার পর্যটন কার্নিভাল ২০২৬'। এই কার্নিভালে দিন-রাতের বিভিন্ন বিনোদনমূলক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের প্রধান পর্যটন গন্তব্য কক্সবাজারকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে। বুধবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সংবাদ সম্মেলনে এই কার্নিভালের বিস্তারিত ঘোষণা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১ নভেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাসব্যাপী কার্নিভাল অনুষ্ঠিত হবে কক্সবাজারের শৈবাল হোটেলের সমুদ্রসৈকত ও ঝাউবন এলাকায়।
- 📌 কার্নিভালে থাকছে ফুড জোন (দেশি-বিদেশি খাবার, বারবিকিউ, আইসক্রিম), মার্কেট জোন (পোশাক, অলংকার, মাটির পণ্য), ওয়েলনেস জোন (যোগব্যায়াম, মেডিটেশন), কিডস জোন (শিশুদের বিনোদন), এবং ক্যাম্পিং জোন (নাইট-স্টে ক্যাম্পিং, ক্যাম্পফায়ার)।
- 📌 বিশেষ ক্রীড়া ও বিনোদন হিসেবে থাকছে কায়াকিং, লাইভ বাস্কিং, গো-কার্ট, বিচ ফুটবল, বিচ ভলিবল, বিচ কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, স্যান্ড স্কাল্পচার, ওপেন-স্কাই মুভি থিয়েটার, ভিআর জোন এবং সার্কাস টেন্ট।
- 📌 বিজয় দিবস, বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন থাকবে।
- 📌 বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান বলেছেন, এই কার্নিভালের মাধ্যমে কক্সবাজারকে বৈচিত্র্যময় ও আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন গন্তব্য হিসেবে ব্র্যান্ডিং করা হবে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে এবং স্পেলবাউন্ড কমিউনিকেশনস লিমিটেডের পরিচালনায় আয়োজিত এই কার্নিভালে দিন ও রাতের বিভিন্ন বিনোদনমূলক কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কক্সবাজারে প্রতিবছর দেশি পর্যটকের সংখ্যা বাড়লেও বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণে সমস্যা রয়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর বিনোদনমূলক কার্যক্রমের অভাব পর্যটকদের অভিযোগের প্রধান কারণ। এই কার্নিভালের মাধ্যমে সেই সমস্যার সমাধান করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কার্নিভালের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে থাকছে ফুড জোন, যেখানে দেশি-বিদেশি খাবার, লাইভ ফুড স্টল, বারবিকিউ, আইসক্রিম ও জুসের আয়োজন করা হয়েছে। মার্কেট জোন ও ক্র্যাফট ভিলেজে স্থানীয় কারিগরদের হাতে তৈরি পোশাক, অলংকার, মাটির পণ্য এবং শিল্পপণ্য প্রদর্শিত হবে। ওয়েলনেস জোনে সূর্যোদয়ের সঙ্গে যোগব্যায়াম ও মেডিটেশনের আয়োজন করা হয়েছে। শিশুদের জন্য কিডস জোনে আর্ট, নিরাপদ রাইডসহ বিভিন্ন বিনোদনমূলক কার্যক্রমের ব্যবস্থা থাকবে। ক্যাম্পিং জোনে নাইট-স্টে ক্যাম্পিং, ওপেন-স্কাই লাইব্রেরি, সেলফ-বারবিকিউ, হ্যামক, ক্যাম্পফায়ার এবং টেলিস্কোপে তারাভরা আকাশ দেখার সুযোগ থাকবে।
বিশেষ দিনগুলোতে বিজয় দিবস, বড়দিন ও ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন থাকবে। পাশাপাশি বিচ ভিউ ওপেন থিয়েটারে 'ওয়েভ অব মিউজিক' শীর্ষক সংগীতানুষ্ঠানেও সমুদ্রের সামনে সূর্যাস্তের আবহে সংগীত উপভোগের সুযোগ থাকবে।
"আমরা শুধু একটি কার্নিভাল আয়োজন করতে চাই না। আমরা চাই, কক্সবাজারের পর্যটন অভিজ্ঞতায় একটি নতুন মাত্রা যুক্ত হোক। সমুদ্র থাকবে, সূর্যাস্ত থাকবে, ঝাউবন থাকবে—এর সঙ্গে যুক্ত হবে খাবার, সংগীত, খেলাধুলা, সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা, অ্যাডভেঞ্চার এবং পারিবারিক বিনোদন।"
বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. গনী উল আজম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কক্সবাজার, শৈবাল হোটেলের সমুদ্রসৈকত ও ঝাউবন এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সামীমুজ্জামান (চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন), মো. গনী উল আজম (পরিচালক, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন), মো. সাদেকুল আরেফিন (প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, স্পেলবাউন্ড কমিউনিকেশনস)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ নভেম্বর (শুরুর তারিখ), ৩১ জানুয়ারি (সমাপ্তির তারিখ), ৭ অক্টোবর (সংবাদ সম্মেলনের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!