📌 পটুয়াখালীর সদর ও দুমকী উপজেলার নয়টি গ্রামের প্রায় সাতান্ন হাজার মানুষ দেড় যুগ ধরে খালের পচা পানির দুর্গন্ধ ও জলাবদ্ধতার যন্ত্রণায় ভুগছেন। অপরিকল্পিত খাল খনন ও বাঁধ নির্মাণের কারণে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে
পটুয়াখালীর সদর ও দুমকী উপজেলার নয়টি গ্রামের প্রায় সাতান্ন হাজার মানুষ দেড় যুগ ধরে খালের পচা পানির দুর্গন্ধ ও জলাবদ্ধতার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা আর শুকনা মৌসুমে পচা পানির দুর্গন্ধে স্থানীয়দের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পটুয়াখালীর সদর ও দুমকী উপজেলার নয়টি গ্রামের প্রায় সাতান্ন হাজার মানুষ দেড় যুগ ধরে ভোগান্তিতে
- 📌 অপরিকল্পিত খাল খনন ও বাঁধ নির্মাণের কারণে পানির প্রবাহ ব্যাহত হয়ে জলাবদ্ধতা ও পানিদূষণ দেখা দিয়েছে
- 📌 ২০০৮ সালে মৌকরণ খাল খনন প্রকল্পের আওতায় খালটির প্রশস্ততা ছিল পরিকল্পিত ১০০ ফুটের পরিবর্তে মাত্র ৩০ থেকে ৪০ ফুট
- 📌 খালের মাঝামাঝি স্থানে নির্মিত ছোট বক্স কালভার্ট ও শেষাংশে স্লুইসগেট পানিনিষ্কাশন ব্যবস্থাকে অচল করে দিয়েছে
- 📌 স্থানীয় কৃষকদের প্রায় ৮০ শতাংশ ফসলি জমি জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেছে
📰 বিস্তারিত
পটুয়াখালীর সদর উপজেলার মৌকরণ এলাকায় অবস্থিত মৌকরণ খালটি দুমকী উপজেলার লেবুখালীসহ আরও সাতটি গ্রামের সঙ্গে সংযুক্ত। খালটির অপরিকল্পিত খনন ও বাঁধ নির্মাণের কারণে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ায় দেড় যুগ ধরে স্থানীয়দের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. সাগর আকন জানান, বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা আর শুকনা মৌসুমে পচা পানির দুর্গন্ধে তারা অতিষ্ঠ। খালের দুই পাশে কৃষিজমি ও বসতবাড়ি থাকায় জলাবদ্ধতায় কৃষকদের ক্ষতি হচ্ছে এবং পানি দূষিত হয়ে পরিবেশও বিপন্ন হচ্ছে।
পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্র অনুযায়ী, ২০০৮ সালে মৌকরণ খাল খনন ও বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় খালটির জন্য এক হাজার ফুট দৈর্ঘ্য ও ১০০ ফুট প্রস্থ নির্ধারণ করা হলেও বাস্তবে তা কেবল ৩০ থেকে ৪০ ফুট প্রশস্ত করা হয়। খালের মাঝামাঝি স্থানে নির্মিত ছোট বক্স কালভার্ট ও শেষাংশে স্লুইসগেট পানিনিষ্কাশন ব্যবস্থাকে পুরোপুরি অচল করে দেয়।
"খালটির গভীরতা কমে যাওয়ায় পানির ধারণক্ষমতা ও প্রবাহ কমেছে। ফলে এই এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের মধ্যে খালটি পুনঃখননসহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।"
স্থানীয় কৃষকদের প্রায় ৮০ শতাংশ ফসলি জমি জলাবদ্ধতায় তলিয়ে যাওয়ায় তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এছাড়া খালের পানি দূষিত হওয়ায় স্থানীয় মানুষ ও গৃহপালিত পশুরাও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পটুয়াখালী সদর ও দুমকী উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সাগর আকন, মৌকরণ এলাকার বাসিন্দা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯টি গ্রাম, প্রায় সাতান্ন হাজার মানুষ, ১০০ ফুট (পরিকল্পিত), ৩০ থেকে ৪০ ফুট (বাস্তব), প্রায় ৮০ শতাংশ ফসলি জমি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!