📌 পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে দ্বিতীয় স্ত্রীকে মারধর ও চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় এক নারী মামলা করেছেন। ছয়জনকে আসামি করে মামলা হলেও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত চলছে
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে মারধর ও চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগে এক নারী মামলা করেছেন। গতকাল বুধবার রাতে দেবীগঞ্জ থানায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ছয়জনকে নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও সাতজনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে মারধর ও চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগে এক নারী মামলা করেছেন
- 📌 মামলায় ছয়জনকে নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা সাতজনকে আসামি করা হয়েছে
- 📌 গ্রেপ্তার তিনজন হলেন আবদুল হক (৫০), সুজন ইসলাম (১৯) ও চাঁন মিয়া (৩২)
- 📌 ঘটনাটি ঘটে গত সোমবার রাত ১০টার দিকে দেবীগঞ্জ উপজেলার একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে
- 📌 ভুক্তভোগী নারী বর্তমানে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন
📰 বিস্তারিত
গত সোমবার রাত ১০টার দিকে দেবীগঞ্জ উপজেলার একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে ভুক্তভোগী নারীকে তাঁর প্রথম স্বামীর প্রথম স্ত্রী, তাঁদের সন্তান ও স্বজনরা মারধর করেন। একপর্যায়ে তাঁরা তাঁকে বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে আঘাত করেন। তাঁরা তাঁর বিয়ের কাগজপত্র ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেন। এ সময় তাঁরা ব্লেড ও কাঁচি দিয়ে তাঁর মাথার চুলের কিছু অংশ কেটে দেন।
ভুক্তভোগী নারী জানান, তাঁর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ের জন্য প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নেননি। আদালতে বিয়ের এফিডেভিট ও ইসলাম ধর্ম গ্রহণের কাগজপত্র দেখানোর পর তাঁরা সেগুলো ছিনিয়ে নিয়ে তাঁকে মারধর করেন। ঘটনার পর তিনি দেবীগঞ্জ থানায় মামলা করেন।
দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুসা মিয়া জানান, ভুক্তভোগী নারীকে মারধর ও চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় মামলা দায়েরের পর তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
"ওই নারীকে মারধরের ও মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় মামলা দায়েরের পর তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।" — দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুসা মিয়া
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দেবীগঞ্জ উপজেলা, পঞ্চগড়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভুক্তভোগী নারী (৩৯), আবদুল হক (৫০), সুজন ইসলাম (১৯), চাঁন মিয়া (৩২), ওসি মুসা মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ (আসামির নাম উল্লেখ), ৭ (অজ্ঞাতনামা আসামি), ৩ (গ্রেপ্তার), ৩৯ (ভুক্তভোগীর বয়স), ৫০ (আবদুল হকের বয়স), ১৯ (সুজন ইসলামের বয়স), ৩২ (চাঁন মিয়ার বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!