📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জাজিরায় পদ্মার ভাঙনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে ১ হাজার ২০২ কোটি টাকার তীর রক্ষা প্রকল্প

জাজিরায় পদ্মার ভাঙনে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে ১ হাজার ২০২ কোটি টাকার তীর রক্ষা প্রকল্প

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শরীয়তপুরের জাজিরায় নির্মাণাধীন ১ হাজার ২০২ কোটি টাকার তীর রক্ষা প্রকল্পের বিভিন্ন স্থানে নতুন ভাঙন দেখা দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গত কয়েক দিনে প্রায় ২০০ মিটার অংশ পদ্মা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে ২৫টি পরিবার ঘরবাড়ি সরিয়ে নিয়েছে, আরো প্রায় ৩০০ পরিবার ঝুঁকিতে রয়েছে

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় নির্মাণাধীন ১ হাজার ২০২ কোটি টাকার তীর রক্ষা প্রকল্পের কয়েকটি স্থানে নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত কয়েক দিনে প্রকল্পের প্রায় ২০০ মিটার অংশ পদ্মা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পালেরচর ইউনিয়নের কাথুরিয়া, ফরাজীকান্দি এবং নাওডোবা ইউনিয়নের পৈলান মোল্যারকান্দি ও আলম খারকান্দি এলাকায় সাতটি দোকান পদ্মা নদীতে বিলীন হয়েছে
  • 📌 কাথুরিয়া-মাঝিরঘাট সড়কের প্রায় ৫০ মিটার অংশ নদীগর্ভে চলে গেছে
  • 📌 ভাঙনের মুখে ইতিমধ্যে ২৫টি পরিবার তাদের বসতবাড়ি সরিয়ে নিয়েছে
  • 📌 আরও প্রায় ৩০০ পরিবারের ঘরবাড়ি ঝুঁকিতে রয়েছে
  • 📌 গত সোমবার সকালে এলাকায় জিও ব্যাগ তলিয়ে যেতে শুরু করে এবং মাটিতে বড় বড় ফাটল দেখা দেয়

📰 বিস্তারিত

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় নির্মাণাধীন তীর রক্ষা প্রকল্পের বিভিন্ন স্থানে নতুন ভাঙন দেখা দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গত কয়েক দিনে প্রকল্পের প্রায় ২০০ মিটার অংশ পদ্মা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের কারণে পালেরচর ইউনিয়নের কাথুরিয়া, ফরাজীকান্দি এবং নাওডোবা ইউনিয়নের পৈলান মোল্যারকান্দি ও আলম খারকান্দি এলাকায় সাতটি দোকান পদ্মা নদীতে বিলীন হয়েছে। একই সঙ্গে কাথুরিয়া-মাঝিরঘাট সড়কের প্রায় ৫০ মিটার অংশ নদীগর্ভে চলে গেছে।

ভাঙনের মুখে ইতিমধ্যে ২৫টি পরিবার তাদের বসতবাড়ি সরিয়ে নিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, গত সোমবার সকালে নদীর তীরে থাকা জিও ব্যাগ তলিয়ে যেতে শুরু করে এবং মাটিতে বড় বড় ফাটল দেখা দেয়। পরে এলাকায় মাইকিং করে সবাইকে সাবধান করা হয়। এর পর থেকেই অনেকে ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও প্রয়োজনীয় মালামাল সরিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ বসতভিটার গাছপালাও কেটে অন্যত্র নিয়ে যাচ্ছেন।

বর্তমানে ভাঙন ঠেকাতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। পালেরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন ফরাজি বলেন, ‘সাড়ে তিন বছরের বেশি সময় ধরে প্রকল্পের কাজ চলছে, জিও ব্যাগ ডাম্পিং ও ক্লক স্থাপনের কাজও হচ্ছে। এর মধ্যেই আবার ভাঙন শুরু হয়েছে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবুল হোসেন ফরাজি (পালেরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার ২০২ কোটি টাকা, ২০০ মিটার, ৫০ মিটার, ২৫টি পরিবার, প্রায় ৩০০ পরিবার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖