📌 গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬ কে দুর্বল ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সুবিধা দেয়ার মতো অভিযোগ তুলে বিরোধী দলের দুই এমপি জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটির বৈঠক ত্যাগ করেছেন। তাঁরা দাবি করেছেন, গুমের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হলে ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার পাবেন না
জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক থেকে বিরোধী দলের দুই সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম ও মো. আব্দুল বাতেন ওয়াকআউট করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ দুর্বল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সুবিধা দেয়ার মতো। আগের অধ্যাদেশ ও বিল ল্যাপস করিয়ে নতুন করে দুর্বল আইন আনার প্রতিবাদেও তাঁরা বৈঠক বর্জন করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিরোধী দলের দুই এমপি মো. নূরুল ইসলাম ও মো. আব্দুল বাতেন গুম প্রতিরোধ বিলকে দুর্বল দাবি করে স্থায়ী কমিটির বৈঠক ত্যাগ করেন
- 📌 গুমের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়ার বিরোধিতা করেন বিরোধী দলীয় নেতারা
- 📌 তাঁরা দাবি করেন, সরকার আগে শক্তিশালী আইন প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও এবার দুর্বল বিল উপস্থাপন করেছে
- 📌 বৈঠকে বিলটি সংসদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়
- 📌 কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন বৈঠক থেকে ওয়াকআউটকে সাংসদীয় রীতিনীতির পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেন
📰 বিস্তারিত
রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে বিরোধী দলের দুই এমপি মো. নূরুল ইসলাম ও মো. আব্দুল বাতেন উপস্থিত ছিলেন না। তাঁরা বৈঠক শুরুর পরই ওয়াকআউট করেন। বিরোধী দলীয় নেতা নূরুল ইসলাম বুলবুল সাংবাদিকদের বলেন, সরকার আগে শক্তিশালী আইন প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু এবার উপস্থাপিত বিলটি আগের চেয়ে দুর্বল। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার নিজেদের মতো করে আইন প্রণয়ন করছে এবং সংস্কার প্রক্রিয়াকে বাইপাস করছে।
তিনি আরও বলেন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিলের ১৪ নম্বর ধারায় গুমের অভিযোগ এলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়ার কথা বলা হয়েছে। তাঁর মতে, এতে ভুক্তভোগীরা যথাযথ বিচার পাবেন না। তিনি স্বাধীন মানবাধিকার কমিশনকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়ার পক্ষে মত প্রকাশ করেন। বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, সরকার গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করছে না এবং রাষ্ট্র ও সংবিধানের সংস্কার চান তাঁরা।
এদিকে, কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন বৈঠক থেকে ওয়াকআউটকে সাংসদীয় রীতিনীতির পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, কমিটির সদস্য হিসেবে সংশোধনী বা মতামত উপস্থাপনের সুযোগ রয়েছে। বৈঠকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের লক্ষ্যে বিল প্রণয়নের উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হয়। বৈঠকে গত ছয় মাসে দেশে কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেনি বলেও উল্লেখ করা হয়।
"আমরা এই বিলের কোনো আলোচনা বা কোনো প্রক্রিয়ার সাথে অংশগ্রহণ করতে চাই না। কারণ বিলটি দুর্বল। তার চেয়েও বড় বিষয় হলো, আগে যে বিলগুলো ল্যাপস করে দেয়া হয়েছে, সেগুলো নতুন করে নিজেদের মতো করে আনা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ ভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. নূরুল ইসলাম, মো. আব্দুল বাতেন, জয়নুল আবেদীন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ আগস্ট, ২০টি বিল ল্যাপস, ১৪ নম্বর ধারা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!