📌 নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ওমানপ্রবাসী যুবক জাবেদ হোসেনকে (৩০) অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পরিবার দাবি করে তিনি ফাঁসানো হয়েছে, তদন্তের দাবি জানায় স্থানীয়রা। পুলিশ দাবি করে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে, তবে পরিবার ও স্থানীয়দের সন্দেহের মুখে পড়েছে ঘটনা
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ওমানপ্রবাসী যুবক মো. জাবেদ হোসেন (৩০) গত রোববার গভীর রাতে অজানা কারণে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হন। পরিবার ও স্থানীয়রা দাবি করছেন, জাবেদকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। পুলিশের দাবি হলো, তাঁর বাড়ি থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে, তবে ঘটনার পেছনে সন্দেহের ছায়া পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাবেদ হোসেন (৩০) নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বিষ্ণপুর গ্রামের ওমানপ্রবাসী যুবক, যাকে গত রোববার রাতে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়।
- 📌 পুলিশ দাবি করে, তাঁর বাড়ি থেকে একটি পাইপগান, একটি কার্তুজ ও দুটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে।
- 📌 জাবেদের স্ত্রী ফারহানা আক্তার দাবি করেন, স্বামী কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। পরিবার ও স্থানীয়রা মনে করেন, জাবেদকে ফাঁসানো হয়েছে।
- 📌 স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. বেলায়েত হোসেন সোহেল বলেন, জাবেদ একজন নম্র ও ভদ্র ব্যক্তি, ঘটনাটি রহস্যজনক।
- 📌 পুলিশের দাবি হলো, অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়েছে এবং সোমবার জাবেদকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
জাবেদ হোসেনের গ্রেপ্তারের ঘটনা পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে। জাবেদের স্ত্রী ফারহানা আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, গত রোববার বিকেলে তাঁর স্বামীর পা কেটে যায়। ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার পর ফিরে আসার সময় বাড়িতে পুলিশের আগমন ঘটে। পুলিশ সরাসরি শোবার ঘরের তোশক উল্টে কার্তুজ ও অস্ত্র উদ্ধার করে। জাবেদ স্বামী জানাননি যে তিনি অস্ত্রের মালিক। পুলিশের দুর্ব্যবহারও ঘটেছে, বিশেষ করে তাঁর বৃদ্ধ শ্বশুরের সাথে।
জাবেদের পরিবার দাবি করে, তিনি ওমানে ব্যবসা করতেন এবং অতীতেও কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তবে তাঁদের জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে, যা ঘটনার পেছনে সম্ভাব্য কারণ হতে পারে। স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. বেলায়েত হোসেন সোহেল বলেন, জাবেদ একজন নম্র ও ভদ্র ব্যক্তি, এলাকার মানুষ তাঁকে এমনভাবে চেনে। তিনি ঘটনাটিকে রহস্যজনক বলে মনে করেন এবং তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশের দাবি হলো, অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়েছে এবং সোমবার জাবেদকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের ছায়া পড়েছে। সেনবাগ থানার ওসি আব্দুর রহিম সরকার বলেন, অভিযান নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে করা হয়েছে এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা খতিয়ে দেখা হবে। জেলা পুলিশ সুপার এন এম নাছির উদ্দিনও বলেছেন, ঘটনাটি সুষ্ঠুভাবে তদন্তের জন্য ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
"জাবেদ একজন ওমানপ্রবাসী। এক-দেড় মাস হলো দেশে এসেছেন। পুরো বিষয়টি রহস্যজনক বলে মনে হচ্ছে। এ নিয়ে তদন্ত হওয়া উচিত।" — মো. বেলায়েত হোসেন সোহেল, নবীপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিষ্ণপুর গ্রাম, নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. জাবেদ হোসেন (৩০), ফারহানা আক্তার, মো. বেলায়েত হোসেন সোহেল, আব্দুর রহিম সরকার, এন এম নাছির উদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ বছর বয়সী জাবেদ, একটি পাইপগান, একটি কার্তুজ, দুটি চাপাতি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!