📌 নারায়ণগঞ্জের সাক্ষী কাউসার আহমেদ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, শামীম ওসমানের নির্দেশে আহতদের চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত রাখা হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গুলিতে আহত হওয়া কাউসারকে ডাক্তাররা চিকিৎসা দিতে অস্বীকার করেন
নারায়ণগঞ্জের সাক্ষী কাউসার আহমেদ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি শামীম ওসমানের নেতৃত্বে সংঘটিত বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময়ের ঘটনাবলি তুলে ধরেছেন। জবানবন্দিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দুপুর পৌনে ২টার দিকে শামীম ওসমানের বাড়ির সামনে ২০-২৫ জন সশস্ত্র ব্যক্তি আন্দোলনকারীদের ওপর আক্রমণ চালিয়েছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জে শামীম ওসমানের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন সশস্ত্র ব্যক্তি আন্দোলনকারীদের ওপর আক্রমণ চালায়। আক্রমণকারীদের মধ্যে ছিলেন শামীম ওসমান, অয়ন ওসমান, আজমেরী ওসমান, টিটু, শাহ নিজাম, ফাইজুল, নিয়াজুল, টিপু, দিপু ও সাইদ।
- 📌 আক্রমণে গুলিতে আহত হওয়া কাউসার আহমেদের বাম পায়ে গুলি লাগে। শামীম ওসমান ডাক্তারদের নির্দেশ দেন চিকিৎসা না করার জন্য।
- 📌 আহত কাউসারকে ঢাকা মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ডাক্তাররা ৮ আগস্ট অপারেশন করে গুলি বের করেন।
- 📌 ৫ আগস্টের ঘটনায় ছাড়াও অন্যরা আহত হয়েছিলেন। সুজন নামের এক ছেলে নিহত হয় বন্দর এলাকার নবীগঞ্জ কুশুরায়।
- 📌 কাউসার আহমেদ বলেন, শামীম ওসমান নারায়ণগঞ্জের গডফাদার। তাঁর নেতৃত্বে বহু মানুষ আহত ও নিহত হয়েছিলেন।
📰 বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ আজ বৃহস্পতিবার দেওয়া জবানবন্দিতে নারায়ণগঞ্জের কাউসার আহমেদ বলেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দুপুর পৌনে ২টার দিকে শামীম ওসমানের বাড়ির সামনে সশস্ত্র আক্রমণকারীরা আন্দোলনকারীদের ওপর আক্রমণ চালায়। আক্রমণকারীদের হাতে ছিল দেশি-বিদেশি অস্ত্র। গুলিতে আহত হওয়া কাউসার আহমেদের বাম পায়ে গুলি লাগে। তিনি বলেন, গুলি লাগার পর রাস্তায় পড়ে যান। কিন্তু শামীম ওসমান ডাক্তারদের নির্দেশ দিয়েছিলেন চিকিৎসা না করার জন্য।
কাউসার আহমেদ আরও বলেন, চিকিৎসা না পেয়ে ঢাকা মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ডাক্তাররা দেখে বলেন যে এই গুলি বের করা সম্ভব নয়। পরবর্তীতে ৮ আগস্ট অপারেশন করে গুলি বের করা হয়। তিনি উল্লেখ করেন, ৫ আগস্টের ঘটনায় ছাড়াও অন্যরা আহত হয়েছিলেন। সুজন নামের এক ছেলে নিহত হয় বন্দর এলাকার নবীগঞ্জ কুশুরায়।
কাউসার আহমেদ বলেন, ১৮ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বহু মানুষ আহত ও নিহত হয়েছিলেন। তিনি শামীম ওসমানকে গুলি করে আহত করা এবং অন্যান্য আন্দোলনকারীদের হত্যা ও আহত করার জন্য আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান।
"শামীম ওসমান ডাক্তারদের নির্দেশ দিয়েছিলেন চিকিৎসা না করার জন্য। সেখানে চিকিৎসা না পেয়ে ঢাকা মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা (মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজ), বন্দর এলাকার নবীগঞ্জ কুশুরা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাউসার আহমেদ, শামীম ওসমান, সুজন (নিহত)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০-২৫ জন আক্রমণকারী, ৫ আগস্ট ২০২৪, ৮ আগস্ট ২০২৪
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!