📅 ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাসচালক স্বীকার: এক্সপ্রেসওয়েতে ফেলে দেওয়া হত্যার পরিকল্পিত হত্যা

বাসচালক স্বীকার: এক্সপ্রেসওয়েতে ফেলে দেওয়া হত্যার পরিকল্পিত হত্যা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মরদেহ উদ্ধারের হত্যা মামলায় বাসচালক সোহেল রানা আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনজনের পরিকল্পনায় ইসমাইল হোসেনকে হত্যা করা হয় এবং লাশ এক্সপ্রেসওয়েতে ফেলে দেওয়া হয়

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ইসমাইল হোসেনের মরদেহ উদ্ধারের হত্যা মামলায় বাসচালক সোহেল রানা আজ বৃহস্পতিবার আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনজনের পরিকল্পনায় ইসমাইল হোসেনকে হত্যা করা হয় এবং লাশ এক্সপ্রেসওয়েতে ফেলে দেওয়া হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সোহেল রানা আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন এবং বলেছেন, তিনজনের পরিকল্পনায় ইসমাইল হোসেনকে হত্যা করা হয়।
  • 📌 ৪ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৪টায় জামালপুর থেকে গাজীপুরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে ইসমাইল হোসেন।
  • 📌 সুপারভাইজার সাজু লস্করচালকের সহকারী মাহবুব আলম মনিরও আগে থেকেই দোষ স্বীকার করেছেন।
  • 📌 মরদেহ উদ্ধার করা হয় ১৭৯ ও ১৮০ নম্বর পিলারের মধ্যবর্তী এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে।
  • 📌 ইসমাইল হোসেনের শরীরে স্কচটেপ দিয়ে নাক, মাথা ও ডান হাতের কবজি বেঁধে রাখা পাওয়ায় হত্যার চিহ্ন পাওয়া যায়।
  • 📌 ৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে বাসচালক সোহেল রানাকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।
  • 📌 মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামাল উদ্দীন জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন।
  • 📌 বাসের সুপারভাইজার ও হেলপার ইসমাইলকে স্কচটেপ দিয়ে বেঁধে গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করেন।
  • 📌 হত্যাকাণ্ডের পর টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে লাশ এক্সপ্রেসওয়েতে ফেলে দেওয়া হয়।

📰 বিস্তারিত

বনানী থানাধীন ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ইসমাইল হোসেনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাসচালক সোহেল রানা আজ বৃহস্পতিবার আদালতে জবানবন্দি দেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামাল উদ্দীন খাসকামরায় তিনি জবানবন্দি দেন। বনানী থানার এসআই নজরুল ইসলামের তদন্তে সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা হয়। জবানবন্দি শেষে তিনি কারাগারে পাঠানো হয়।

সোহেল রানা ‘রাজ ক্লাসিক’ নামের পরিবহনের বাসচালক। তিনি বলেছেন, ৪ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৪টায় জামালপুরের দিকপাই বাসস্ট্যান্ড থেকে ইসমাইল হোসেন বাসে উঠেন। সুপারভাইজার সাজু লস্কর ইসমাইলের কাছে ভাড়া চান। ইসমাইল তার কোমরের লুঙ্গির ভাঁজ থেকে টাকা বের করার সময় সাজু দেখতে পান যে, তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা ছিল। সাজু সোহেলকে জানান যে, ইসমাইল ব্যবসায়ী এবং তার কাছে অনেক টাকা আছে। সোহেলের পরিকল্পনা অনুযায়ী, বাসটি চান্দুরা বাসস্ট্যান্ডে ইসমাইলকে নামিয়ে না দিয়ে গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে যাত্রীদের নামিয়ে ঢাকার দিকে যাত্রা শুরু করে।

সুপারভাইজার ও হেলপার মিলে ইসমাইলকে স্কচটেপ দিয়ে মুখ ও হাত বেঁধে ফেলেন এবং গামছা পেঁচিয়ে তাঁর শ্বাস রোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। হত্যাকাণ্ডের পর, তাঁরা বিমানবন্দর দিয়ে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে বনানী আসেন। সেখান থেকে ইউটার্ন নিয়ে আবার বিমানবন্দরের দিকে যাওয়ার সময় ইসমাইল হোসেনের মরদেহ এক্সপ্রেসওয়েতে ফেলে দেন। টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে যান। ইসমাইল বাসে উঠেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। সুপারভাইজার তাঁকে বলেছিলেন যে, তিনি নামবেন সেখানে তাঁকে ডেকে তোলা হবে। কিন্তু টাকা দেখে ফেলার পরে লোভ সামলাতে না পেরে তাঁরা ইসমাইলকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেননি। পরে হত্যা করে লাশ এক্সপ্রেসওয়েতে ফেলে দেওয়া হয়।

"তিনজনের পরিকল্পনায় ইসমাইল হোসেনকে হত্যা করা হয়। বাসে উঠেই তিনি ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। আমরা তাঁকে ডেকে তোলেনি কারণ তাঁর কাছে টাকা ছিল। পরে হত্যা করে লাশ এক্সপ্রেসওয়েতে ফেলে দেওয়া হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে (১৭৯ ও ১৮০ নম্বর পিলারের মধ্যবর্তী), বনানী থানা, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোহেল রানা (বাসচালক), ইসমাইল হোসেন (হতাহত), সুপারভাইজার সাজু লস্কর, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামাল উদ্দীন, এসআই নজরুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬৪ ধারা, ৬ সেপ্টেম্বর, ৪ সেপ্টেম্বর, ৪ টা, ১০টা, ১২টা, ১৭৯ ও ১৮০ নম্বর পিলার, ১ হাজার ১০০ বস্তা ইউরিয়া সার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖