📌 বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের তৎপরতায় পাচারকৃত ১০৩টি টিয়া পাখি মুক্ত করা হয়। পাঁচগড় সীমান্ত থেকে আনা তিন প্রজাতির পাখি বগুড়া মহানগরীর বাস টার্মিনালে উদ্ধার করা হয়। বন বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পাখিগুলো মুক্ত করা হয়
বগুড়া মহানগরীর ঠনঠনিয়া বাস টার্মিনালে পাচারকৃত ১০৩টি টিয়া পাখি মুক্ত আকাশে উড়ার সুযোগ পেয়েছে। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তৎপরতায় তিন প্রজাতির এই পাখিগুলোকে অবমুক্ত করা হয়। বুধবার রাত ১১টায় নওগাঁ থেকে ঢাকার জন্য যাত্রা করা আল বাকারা ট্রাভেলসের বাসে পাচারকৃত পাখিগুলো উদ্ধার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বগুড়া বাস টার্মিনালে ১০টি খাঁচায় বন্দি থাকা ১০৩টি টিয়া পাখি মুক্ত করা হয়
- 📌 পাচারকৃত পাখির মধ্যে ছিল প্লাম হেডেড প্যারাকিট, আলেকজ্যান্ডারি প্যারাকিট ও ইন্ডিয়ান রিংনেক প্যারাকিট
- 📌 পাচারকারীরা গোয়েন্দা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়
- 📌 পাচারকারীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে, এখনো কোনো মামলা করা হয়নি
- 📌 পাখি অবমুক্ত করা হয় বগুড়া পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ ও বন বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে
📰 বিস্তারিত
বগুড়া মহানগরীর ঠনঠনিয়া বাস টার্মিনালে বুধবার রাত ১১টায় নওগাঁ থেকে ঢাকার জন্য যাত্রা করা আল বাকারা ট্রাভেলসের একটি বাসে পাচারকৃত ১০৩টি টিয়া পাখি উদ্ধার করা হয়। পাঁচগড় সীমান্তের ওপার থেকে পাচারকৃত এই পাখিগুলো বগুড়া হয়ে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হতো। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পাচারকারীরা পাখিগুলোকে বাসের মালামাল রাখার বক্সে ১০টি খাঁচায় বন্দি করে রাখত।
বগুড়া ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ইকবাল বাহার জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারেন পাচারকৃত পাখিগুলোকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হতো নৈশ কোচের মালামাল পরিবহনের বাক্সে করে। পাচারকারীরা গোয়েন্দা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। পরে এ বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে এবং পাচারকারীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
বন বিভাগের পক্ষ থেকে এখনো কোনো মামলা করা হয়নি। তবে বৃহস্পতিবার দুপুরে বগুড়া পুলিশ কার্যালয় চত্বরে বগুড়ার পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ ও সামাজিক বন বিভাগের ডেপুটি রেঞ্জার দুলাল কুমার সাহাসসহ বন বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পাখিগুলো অবমুক্ত করা হয়।
বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজের পরিবেশবাদী সংগঠন টিম ফর এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চের (তীর) সভাপতি মেহেদী হাসান বলেন, পাখি চোরাকারবারি চক্র দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশকে পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। তিনি উল্লেখ করেন, বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২ অনুযায়ী পাখি পাচার একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
"পাচারকারীরা গোয়েন্দা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। পরে এ বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। পাচারকারীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঠনঠনিয়া বাস টার্মিনাল, বগুড়া মহানগরী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইকবাল বাহার (ডিবি পরিদর্শক), মেহেদী হাসান (তীর সভাপতি), মির্জা সায়েম মাহমুদ (পুলিশ সুপার), দুলাল কুমার সাহা (ডেপুটি রেঞ্জার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৩টি টিয়া পাখি, ১০টি খাঁচা, ১১টা রাত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!