📌 তিন যুগ পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটাভুটি হতে যাচ্ছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে বিএনপির প্রার্থী জয়ী হলেও বিরোধী দলগুলো অসম লড়াইয়ে কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী করেছে। রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সামনে রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে
প্রায় তিন যুগ পর বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটাভুটির মুখোমুখি হতে যাচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো। সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি। বর্তমান সংসদে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির প্রার্থী জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত। তবে বিরোধী দলগুলো এই নির্বাচনকে অসম লড়াইয়ে পরিণত করতে কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন সংসদ সদস্যদের ভোটে
- 📌 বিএনপির সংসদ সদস্য সংখ্যা দুই-তৃতীয়াংশের বেশি
- 📌 ১১ দলীয় ঐক্যের সদস্য সংখ্যা ৭৮
- 📌 কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য
- 📌 সর্বশেষ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছিল ১৯৯১ সালে
- 📌 ১৯৯১ সালে বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস জয়ী হন
- 📌 জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোট অলি আহমদকে প্রার্থী করার ব্যাপারে বেশি আগ্রহী ছিল
📰 বিস্তারিত
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটাভুটির আয়োজন করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি। বর্তমান সংসদে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন থাকায় দলটির প্রার্থী জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত। তবে বিরোধী দলগুলো এই নির্বাচনকে রাজনৈতিক প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে। জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করেছে।
১১ দলীয় ঐক্যের সূত্র জানায়, জামায়াত অলি আহমদকে প্রার্থী করার বিষয়ে বেশি আগ্রহী ছিল। অলি আহমদও রাজি হন। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এই জোটের সদস্য। গত ২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের বন্দর এলাকায় নির্বাচনী সমাবেশে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান অলি আহমদকে নিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশে একাত্তর সালে স্বাধীনতার ঘোষণা এখান থেকেই হয়েছিল। আপনাদেরই এক গর্বিত সন্তান সবার আগে চিৎকার দিয়ে বলেছিলেন, “উই রিভল্ট।” তিনি হচ্ছেন এলডিপির সম্মানিত সভাপতি কর্নেল অলি আহমদ বীরবিক্রম।’
জামায়াতের এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করে বিএনপি। দলটির নেতারা অভিযোগ করেন, জামায়াত একাত্তরের স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃত করছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারা স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃত করবে—এটাই স্বাভাবিক।’
‘জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক—এই তিন নেতা যদি এক হয়ে যান, তাহলে এক সপ্তাহের মধ্যে সরকারের পতন অনিবার্য হয়ে উঠবে। এই সরকার পালানোর কোনো পথ পাবে না।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, আবদুর রহমান বিশ্বাস, সালাহউদ্দিন আহমদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২/৩ অংশ, ৭৮, ১৯৯১
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!