📌 ভারতে তিনটি মিশন এবং দুবাই মিশনে কর্মরত চার গোয়েন্দা কর্মকর্তা ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আনুষ্ঠানিকভাবে দেশ ছেড়েছেন। তাদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে সরকারের কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। কূটনৈতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তারা ছাত্রলীগের সাথে সংশ্লিষ্ট বলে অভিযোগ রয়েছে
বাংলাদেশের চার গোয়েন্দা কর্মকর্তা ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের দায়িত্বের মিশন ছেড়ে তৃতীয় কোনো দেশে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভারতের তিনটি মিশন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই মিশনে কর্মরত এই কর্মকর্তাদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে সরকারের কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। কূটনৈতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তারা ছাত্রলীগের সাথে সংশ্লিষ্ট বলে অভিযোগ রয়েছে এবং তাদের মধ্যে একজন লন্ডনে গিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হয়েছে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **চার গোয়েন্দা কর্মকর্তা** ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আনুষ্ঠানিকভাবে মিশন ছেড়েছেন এবং তাদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে সরকারের কাছে কোনো তথ্য নেই।
- 📌 **আশরাফ হোসেন** (ফিল্ড অফিসার, নয়াদিল্লি) এবং **নাসিরউদ্দিন** (উপপরিচালক, ডিডি) যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছেন বলে জানা গেছে। তারা বাংলাদেশে ফেরার জন্য টিকিটও পেয়েছিলেন, কিন্তু পরে গোপনে যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন।
- 📌 **মাহমুদুল হাসান পলাশ** (কলকাতা উপহাইকমিশন) লন্ডনে গিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি ৫ আগস্টের অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিয়েছিলেন।
- 📌 **বদরুল ইসলাম** (দুবাই মিশনের যুগ্ম পরিচালক) ৫ আগস্টের পর দুবাই থেকে তৃতীয় কোনো দেশে চলে গেছেন বলে জানা গেছে।
- 📌 চার কর্মকর্তাই ছাত্রলীগের সাথে সংশ্লিষ্ট বলে অভিযোগ রয়েছে, তবে তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া যায়নি।
- 📌 **কূটনৈতিক সূত্র** জানিয়েছে, তাদের মিশন ছেড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নোট ভারবাল দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সরকারের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন দেওয়া হয়নি।
- 📌 **পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়** এবং **বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ** সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
📰 বিস্তারিত
ভারতে বাংলাদেশের তিনটি মিশন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই মিশনে কর্মরত চার গোয়েন্দা কর্মকর্তা ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের দায়িত্বের মিশন ছেড়েছেন। এই কর্মকর্তাদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে সরকারের কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। কূটনৈতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তারা ছাত্রলীগের সাথে সংশ্লিষ্ট বলে অভিযোগ রয়েছে এবং তাদের মধ্যে একজন লন্ডনে গিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হয়েছে বলে জানা গেছে।
সূত্রের তথ্য মতে, **আশরাফ হোসেন** (ফিল্ড অফিসার, নয়াদিল্লি) এবং **নাসিরউদ্দিন** (উপপরিচালক, ডিডি) যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছেন বলে জানা গেছে। তারা বাংলাদেশে ফেরার জন্য টিকিটও পেয়েছিলেন এবং মিশনে আনুষ্ঠানিক বিদায়ও নেন। তবে পরে গোপনে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। তাদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রক্রিয়ায় নোট ভারবাল দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে।
কলকাতা উপহাইকমিশনে কর্মরত **মাহমুদুল হাসান পলাশ** ৫ আগস্টের পর লন্ডনে চলে গেছেন বলে জানা গেছে। তিনি সেখান থেকে আওয়ামী লীগের পক্ষে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ৫ আগস্টের অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে তিনি বক্তব্য দিয়েছিলেন। ছাত্রজীবনে তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ছাত্রলীগের একটি পদে ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।
দুবাই মিশনে কর্মরত **বদরুল ইসলাম** (যুগ্ম পরিচালক) ৫ আগস্টের পর দুবাই থেকে তৃতীয় কোনো দেশে চলে গেছেন বলে জানা গেছে। চার কর্মকর্তাই ছাত্রলীগের সাথে সংশ্লিষ্ট বলে অভিযোগ রয়েছে, তবে তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া যায়নি।
"কোনো কর্মকর্তা তৃতীয় কোনো দেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মিশনের নোট ভারবাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এরপর ভিসা প্রক্রিয়ার সময় সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস মিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে থাকে।" — কূটনৈতিক বিশ্লেষক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারত (নয়াদিল্লি, কলকাতা), সংযুক্ত আরব আমিরাত (দুবাই), যুক্তরাষ্ট্র, লন্ডন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আশরাফ হোসেন, নাসিরউদ্দিন, মাহমুদুল হাসান পলাশ, বদরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ আগস্ট ২০২৪
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!