📌 এনসিপির আয়োজিত অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ সোহেল আখঞ্জির পরিবর্তে জীবিত সাংবাদিক মিজানুর রহমান সোহেলের ছবি ব্যবহারের ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছে দলটি। সাংবাদিকরা তথ্য যাচাইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন
রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘সাংবাদিকের চোখে জুলাই’ শীর্ষক তথ্যচিত্রে ভুল ছবি ব্যবহারের ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দুঃখপ্রকাশ করেছে। সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে এনসিপির সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম ডেমোক্রেটিক জার্নালিস্ট অ্যালায়েন্স (ডিজেএ) আয়োজিত অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ সাংবাদিকদের ভূমিকা নিয়ে তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তথ্যচিত্রে শহীদ সাংবাদিক সোহেল আখঞ্জির পরিবর্তে জীবিত সাংবাদিক মিজানুর রহমান সোহেলের ছবি ব্যবহৃত হয়
- 📌 তথ্যগত ভুলের জন্য এনসিপির পক্ষ থেকে দুঃখপ্রকাশ ও ক্ষমা চাওয়া হয়েছে
- 📌 বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম গণতন্ত্র সংকোচনের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন
- 📌 আগামী ৫ সেপ্টেম্বর থেকে চারটি লংমার্চ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য
📰 বিস্তারিত
‘সাংবাদিকের চোখে জুলাই’ শীর্ষক তথ্যচিত্রে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ সোহেল আখঞ্জির বর্ণনার সময় ভুলক্রমে জীবিত সাংবাদিক মিজানুর রহমান সোহেলের ছবি দেখানো হয়। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর মিজানুর রহমান সোহেল নিজেই বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমি মিজানুর রহমান সোহেল। পেশায় লেখক ও সাংবাদিক এবং হ্যাঁ, আমি এখনো জীবিত আছি।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, একজন জীবিত মানুষকে মৃত হিসেবে উপস্থাপন করা শুধু তথ্যগত ভুল নয়, এর সামাজিক ও পেশাগত প্রভাব রয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোনো সাংবাদিকের নাম ও ছবি ব্যবহারের আগে তথ্য যাচাই করা হয়নি কেন। বিশেষ করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে তথ্য যাচাইয়ের দায়িত্ব আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ ঘটনার পর এনসিপির মিডিয়া সেল থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে দুঃখপ্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভুলটি একান্তই ভুলবশত হয়েছে। দেশের অনলাইন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতার জগতে মিজানুর রহমান সোহেল সুপরিচিত নাম। এ ধরনের ভুলের জন্য এনসিপির মিডিয়া, ব্র্যান্ডিং ও প্রচারবিষয়ক উপকমিটির পক্ষ থেকে মিজানুর রহমান সোহেলসহ সবার কাছে দুঃখপ্রকাশ করা হচ্ছে।
"একজন জীবিত মানুষকে মৃত হিসেবে উপস্থাপন করা শুধু তথ্যগত ভুল নয়, এর সামাজিক ও পেশাগত প্রভাবও রয়েছে। ভুল তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তাঁর পরিবার, পরিচিতজন ও সহকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।"
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও কথা বলার জায়গা সংকুচিত হয়ে আসছে। তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন একটা মুক্ত পরিবেশ আছে। এটা কতদিন থাকবে, আমরা কেউ জানি না।’
তিনি গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য সরকারের উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কমিশনের প্রতিবেদনে সাংবাদিকদের সুরক্ষাসহ বেশ কিছু ভালো নীতি ও সুপারিশ ছিল। এগুলো বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।
অন্যদিকে, জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য আগামী ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ধারাবাহিকভাবে চারটি লংমার্চ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে। কর্মসূচি শেষে আগামী ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসন এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব দাবি তুলে ধরেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর একটি হোটেল, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাহিদ ইসলাম, মিজানুর রহমান সোহেল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ জুলাই, ৫ সেপ্টেম্বর, ১৪ নভেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!