📌 ২৫ অক্টোবর নয়া দিগন্তের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সালাহউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর সাক্ষাৎকার দেন। তিনি বলেন, ২১ বছরে ১৭ বছর পত্রিকাটি কষ্টে মরেও বেঁচে আছে। প্রতিষ্ঠাতা মীর কাসেম আলীর স্বপ্ন ও পরামর্শের বিনিময়ে পত্রিকাটি এগিয়ে চলেছে
২৫ অক্টোবর নয়া দিগন্তের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পত্রিকার সম্পাদক সালাহউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর একটি সাক্ষাৎকার দেন। তিনি বলেন, পত্রিকাটি ২১ বছরে ১৭ বছর কষ্টের মধ্য দিয়ে মরেও বেঁচে আছে। প্রতিষ্ঠাতা মীর কাসেম আলীর নেতৃত্বে নয়া দিগন্তের জন্ম এবং তার অগ্রগতির গল্প তিনি শেয়ার করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৫ অক্টোবর নয়া দিগন্তের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সালাহউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর সাক্ষাৎকার দেন।
- 📌 ২১ বছরে ১৭ বছর পত্রিকাটি কষ্টের মধ্য দিয়ে মরেও বেঁচে আছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
- 📌 মীর কাসেম আলী পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা এবং স্বপ্নদ্রষ্টা, যিনি ৬৫ বিঘা জমি কিনেছিলেন পেপার মিলের জন্য।
- 📌 ২০০৯ সালেই তিনি ডিজিটালাইজেশনের পরিকল্পনা করেছিলেন।
- 📌 নয়া দিগন্তের নাম প্রস্তাব করেছিলেন প্রতিষ্ঠাতা মীর কাসেম আলী নিজেই।
📰 বিস্তারিত
সাক্ষাৎকারে সালাহউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর বলেন, “আমি প্রথমেই শ্রদ্ধা নিবেদন করছি নয়া দিগন্তের স্থপতিদের প্রতি। বিশেষ করে প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ মীর কাসেম আলীকে স্মরণ করি। পত্রিকাটির শুরুতে আমি কমান্ডার আতাউর রহমান, শাহ আব্দুল হান্নান, মোহাম্মদ আবদুজ জাহের, ইঞ্জিনিয়ার ইসকান্দার খান, শিব্বির মাহমুদ এবং প্রকাশক শামসুল হুদাসহ অন্যদের সাথে প্রথম থেকেই যুক্ত ছিলেন। আমাদের একটি ছোট টিম ছিল, যারা পত্রিকার ভ্রুণ তৈরিতে অবদান রেখেছিলেন।”
তিনি উল্লেখ করেন, পত্রিকাটি ১৯৯৫ সালে বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন প্রকাশিত হয়েছিল। সালাহউদ্দিন বলেন, “আমরা ২২ বছর পেরিয়ে যাচ্ছি। এই ২২ বছরে ১৭ বছর পত্রিকাটি কষ্টের মধ্য দিয়ে মরেও বেঁচে আছে। প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও আমরা এগিয়ে চলেছি।”
মীর কাসেম আলীর পরামর্শের কথা উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন বলেন, “তিনি আমাকে পরামর্শ দিতেন এবং আমরা তার পরামর্শ মেনে চলতাম। তার স্বপ্ন ছিল বিশাল একটা ল্যান্ডস্কেপের মতো। তিনি বলতেন, কোনো আদর্শ পথ কাউকে কুর্নিশ করতে পারে না। সুতরাং একটি আদর্শবাদী পত্রিকাকে ফিট করার জন্য তার কিছু সাইড অর্গান থাকতে হবে। তিনি ৬৫ বিঘা জমি কিনেছিলেন পেপার মিলের জন্য। ডিপিপি, দিগন্ত টেলিভিশন তার সৃষ্টিশীলতার পারফেক্ট কম্বিনেশন ছিল। তিনি অত্যন্ত সুদূর প্রসারী চিন্তার মানুষ ছিলেন।”
নয়া দিগন্তের নামের গল্পে তিনি বলেন, “নামটি প্রস্তাব করেছিলেন প্রতিষ্ঠাতা মীর কাসেম আলী নিজেই। তিনি একটি মাসিক পত্রিকা ‘নতুন দিগন্ত’কে এক্সারসাইজ করে ‘নয়া দিগন্ত’ নামকরণ করেছিলেন।”
"আমি আমাদের সার্কুলেশন ম্যানেজারসহ কমলাপুর রেল স্টেশনে গিয়েছিলাম। ট্রেনে আমরা পত্রিকা বিতরণ করি, সবাই কিনে নিত। প্রথম প্রকাশের দিনই পত্রিকাটি সারাদেশে পৌঁছানোর দৃশ্য ছিল অদ্ভুত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, নয়া দিগন্ত অফিস
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালাহউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, মীর কাসেম আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ বছর, ১৭ বছর, ৬৫ বিঘা জমি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!