📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪:১৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভারতের গোপনীয়তা আইন: ২১টি মিডিয়া হাউজের মামলা, সংবাদমাধ্যম বন্ধের আশঙ্কা

ভারতের গোপনীয়তা আইন: ২১টি মিডিয়া হাউজের মামলা, সংবাদমাধ্যম বন্ধের আশঙ্কা

📷 ছবি: বিডিনিউজ২৪

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 BDNews24 ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতের নতুন গোপনীয়তা আইন (প্রাইভেসি ল) বিরোধিতায় ২১টি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে। আইনের কারণে সাংবাদিকদের পূর্ব-সেন্সরশিপের আশঙ্কা জাগিয়েছে এবং সংবাদমাধ্যম বন্ধের ঝুঁকি রয়েছে

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারের নতুন গোপনীয়তা আইন (প্রাইভেসি ল) বিরোধিতায় দেশের শীর্ষ মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলো সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে। ২১টি সংবাদ প্রকাশনা সংস্থা একত্রিত হয়ে এই আইনের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই শুরু করেছে, যেখানে সাংবাদিকদের পূর্ব-সেন্সরশিপের আশঙ্কা জাগিয়েছে এবং সংবাদমাধ্যম বন্ধের ঝুঁকি রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২১টি মিডিয়া হাউজ সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে ভারতের নতুন গোপনীয়তা আইন (প্রাইভেসি ল) বিরোধিতায়।
  • 📌 মুকেশ আম্বানি ও গৌতম আদানির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানসহ শীর্ষ মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলো আইনটির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে।
  • 📌 সাংবাদিকদের অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতাকে 'পূর্ব-সেন্সরশিপ' আখ্যা দিয়ে আইনটি চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।
  • 📌 আইনজীবী মাধবী গোরাডিয়া দিভান বলেছেন, এই আইন খবরের মূল ধারণাই বদলে দিচ্ছে এবং সংবাদ কক্ষগুলো বন্ধের ঝুঁকি রয়েছে।
  • 📌 ২০২৭ সালের মে মাসে কার্যকর হওয়ার কথা থাকা আইনের বিরুদ্ধে প্রকাশকদের সংগঠন 'ডিজিটাল নিউজ পাবলিশার্স অ্যাসোসিয়েশন' (ডিএনপিএ) বিতর্কিত ধারাগুলো বাতিলের দাবি জানিয়েছে।

📰 বিস্তারিত

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারের নতুন গোপনীয়তা আইন (প্রাইভেসি ল) বিরোধিতায় ২১টি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে। এই আইনের একটি বিতর্কিত নিয়ম হলো, সাংবাদিকরা কোনো ব্যক্তির বিষয়ে খবর প্রকাশের আগে সেই ব্যক্তির অনুমতি নিতে হবে। এই নিয়মের কারণে সাংবাদিকদের পূর্ব-সেন্সরশিপের আশঙ্কা জাগিয়েছে এবং সংবাদমাধ্যম বন্ধের ঝুঁকি রয়েছে।

মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতে শুনানির সময় সংবাদমাধ্যমগুলো সতর্ক করে বলেছে, এই আইন কার্যকর হলে স্বাধীনভাবে সত্য প্রকাশ করতে না পারায় দেশের বহু সংবাদমাধ্যম বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আইনজীবী মাধবী গোরাডিয়া দিভান বিচারকদের বলেছেন, “এই আইন খবরের মূল ধারণাই বদলে দিচ্ছে। আমাদের যদি সংবাদের জন্য অনুমতি নিতে হয়, তবে সংবাদ কক্ষগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। এটি পুরোপুরি এক ধরনের পূর্ব-সেন্সরশিপের ব্যবস্থা।”

২০১৪ সাল থেকে ভারতের ক্ষমতায় থাকা নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার অভিযোগ চলে আসছে। তবে সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, তারা সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। সোমবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মুকেশ আম্বানি ও গৌতম আদানির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানসহ ২১টি সংবাদ প্রকাশনা সংস্থার একটি গ্রুপ এই আইনকে চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করেছে। তাদের দাবি, আইনটি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে বাধাগ্রস্ত করবে এবং সরকারের হাতে সাংবাদিকদের তথ্যের গোপন উৎস জানার সুযোগ করে দেবে।

"আমাদের যদি সংবাদের জন্য অনুমতি নিতে হয়, তবে সংবাদ কক্ষগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। এটি পুরোপুরি এক ধরনের পূর্ব-সেন্সরশিপের ব্যবস্থা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভারত, সুপ্রিম কোর্ট
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নরেন্দ্র মোদী, মুকেশ আম্বানি, গৌতম আদানি, আইনজীবী মাধবী গোরাডিয়া দিভান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১টি মিডিয়া প্রতিষ্ঠান

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖