📌 লালমনিরহাটে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করে যুবক আলমগীর হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বিচারক নিত্যানন্দ সরকারের রায়ে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করতে হবে
লালমনিরহাটে শিশু ধর্ষণ মামলায় বিচারক নিত্যানন্দ সরকারের রায়ে যুবক আলমগীর হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে দণ্ডিত আলমগীর হোসেনকে আদালত এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করতে বলেছে। অনাদায়ে অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লালমনিরহাটে শিশু ধর্ষণ মামলায় আলমগীর হোসেনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে
- 📌 বিচারক নিত্যানন্দ সরকারের রায়ে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করতে বলা হয়েছে
- 📌 অনাদায়ে অর্থদণ্ডের জন্য আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে
- 📌 ২০১৮ সালের ১৮ জুলাই শিশুকে চকলেট দেওয়ার কথা বলে নিজ বাড়িতে ডেকে ধর্ষণ করা হয়েছিল
- 📌 শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মামলা করেন, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান বলেছেন, ‘বাদীপক্ষ ন্যায়বিচার পেয়েছেন’
📰 বিস্তারিত
লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের বাসিন্দা আলমগীর হোসেনকে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিত্যানন্দ সরকারের রায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বিচারক রায়ে উল্লেখ করেছেন যে, আলমগীর হোসেন ২০১৮ সালের ১৮ জুলাই প্রতিবেশী শিশুকে চকলেট দেওয়ার কথা বলে নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেছিলেন। পরে শিশুটি বিষয়টি জানিয়ে বাড়িতে ফিরে আসলে তাকে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
মামলায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে লালমনিরহাট সদর থানায় মামলা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান বলেছেন, ‘বিচারক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। বাদীপক্ষ ন্যায়বিচার পেয়েছেন। এ রায়ের মাধ্যমে সমাজে অপরাধপ্রবণতা কমবে বলে আশা করছি।’
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আলমগীর হোসেন লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের গফুর আলীর ছেলে।
"বিচারক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। বাদীপক্ষ ন্যায়বিচার পেয়েছেন। এ রায়ের মাধ্যমে সমাজে অপরাধপ্রবণতা কমবে বলে আশা করছি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লালমনিরহাট সদর উপজেলা, কুলাঘাট ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলমগীর হোসেন, বিচারক নিত্যানন্দ সরকার, অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান, শিশুটির বাবা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০১৮, ১৮ জুলাই, ৫ বছর (শিশুর বয়স), ১ লাখ টাকা (অর্থদণ্ড), ৬ মাস (সশ্রম কারাদণ্ড)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!