📌 ময়মনসিংহের নান্দাইল থেকে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার সড়ক খানাখন্দে ভরে যাওয়ায় যাত্রীদের যাতায়াত ব্যয় হচ্ছে অতিরিক্ত দুই ঘণ্টা। স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন সংস্কারের পরও চার বছরের মাথায় সড়কটি পুনরায় ব্যবহ্যোগ্য না হওয়ায় দুর্ভোগ চরমে উঠেছে
ময়মনসিংহের নান্দাইল থেকে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত ৩০ কিলোমিটার সড়কটি সম্পূর্ণরূপে ব্যবহ্যোগ্য না থাকায় যাত্রীদের যাতায়াত ব্যয় হচ্ছে অতিরিক্ত দুই ঘণ্টা। স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন সংস্কারের পরও চার বছরের মাথায় সড়কটি পুনরায় খানাখন্দে ভরে যাওয়ায় এলাকাবাসীর দুর্ভোগ চরমে উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নান্দাইল-হোসেনপুর-পাকুন্দিয়া সড়কের দৈর্ঘ্য ৩০ কিলোমিটার
- 📌 সংস্কারের চার বছরের মধ্যেই সড়কটি খানাখন্দে ভরে যাওয়ায় যাতায়াত ব্যয় হচ্ছে অতিরিক্ত দেড় থেকে দুই ঘণ্টা
- 📌 স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রীর কারণে সড়কটি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
- 📌 সড়কের সংকীর্ণতা ও গর্তের কারণে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে নিয়মিত
📰 বিস্তারিত
স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন সংস্কার করা হলেও নান্দাইল থেকে পাকুন্দিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত ৩০ কিলোমিটার সড়কটি চার বছরের মধ্যেই খানাখন্দে ভরে গেছে। ভাঙাচোরা ও অপ্রশস্ত এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা পোহাচ্ছেন দুর্ভোগ। আধা ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে তাঁদের লেগে যাচ্ছে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা সময়। অল্প বৃষ্টিতেই সড়কের গর্তগুলো পানিতে তলিয়ে যায়, আর শুকনো মৌসুমে ধুলাবালুর কারণে পরিবেশ হয়ে ওঠে অসহনীয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক সংস্কারের সময় নিম্নমানের ইট, সুরকি ও বিটুমিন ব্যবহারের কারণে অল্প সময়েই এটি বেহাল হয়ে গেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, হোসেনপুর পৌরসভার দ্বীপেশ্বর এলাকায় সড়কের বিভিন্ন স্থানে ইট-সুরকি উঠে গিয়ে মাটি বের হয়ে পড়েছে। যানবাহনগুলোকে বড় বড় গর্ত এড়াতে আঁকাবাঁকাভাবে চলতে হচ্ছে। বিশেষ করে যাত্রীবাহী বাস, অটোরিকশা ও পণ্যবাহী যানবাহনগুলো অত্যন্ত ধীরগতিতে চলাচল করছে।
নান্দাইল থেকে ঢাকার মহাখালীগামী জলসিঁড়ি পরিবহনের বাসচালক সোহাগ মিয়া বলেন, ‘সব দিকের রাস্তাই এখন মোটামুটি ভালো থাকলেও নান্দাইল থেকে হোসেনপুর হয়ে পাকুন্দিয়ার প্রায় ৩০ কিলোমিটার রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। সড়কটি সরু হওয়ায় দুটি গাড়ি পাশাপাশি চলাচল করতেও সমস্যা হয়। ছোট গাড়িকে পাশ কাটিয়ে যেতে গিয়ে অনেক সময় যানজট তৈরি হয়। আধা ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা সময় লেগে যায়। সড়কটি দ্রুত প্রশস্ত ও সংস্কার করা জরুরি।’
‘ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এ সড়কটি আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সড়কের এমন বেহাল অবস্থার কারণে আতঙ্ক নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। গর্তে গাড়ি পড়লে ঝাঁকুনিতে শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি কষ্ট পান।’
উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা ও জনদুর্ভোগ নিরসনে নাগরিক কমিটির সভাপতি আলাল মিয়া বলেন, সড়কটি প্রশস্ত ও টেকসইভাবে সংস্কার করা হলে এসব এলাকার মানুষের ঢাকায় যাতায়াতের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য ও অন্যান্য মালামাল পরিবহনেও গতি বাড়বে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নান্দাইল, ময়মনসিংহ; হোসেনপুর, কিশোরগঞ্জ; পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোহাগ মিয়া (বাসচালক), আলাল মিয়া (নাগরিক কমিটির সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ কিলোমিটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!