📌 ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সন্তোষপুর বনাঞ্চলের মাত্র ৫০ একর প্রাকৃতিক শালবন রক্ষায় সরকার ৫৬৫ একর জায়গায় ইকোপার্ক ঘোষণা করেছে। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পাশাপাশি স্থানীয় কৃষকদের জীবিকা ও সামাজিক বনায়নের ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সন্তোষপুর বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। প্রাকৃতিক শালবনের অবশিষ্টাংশ রক্ষায় সেখানে ইকোপার্ক ঘোষণা করা হয়েছে। তবে স্থানীয় কৃষকদের সামাজিক বনায়নের অংশীদারত্ব ও জীবিকা নিয়ে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকার সন্তোষপুর বনাঞ্চলের ৫৬৫ একর জায়গায় ইকোপার্ক ঘোষণা করেছে
- 📌 একসময় প্রায় সাড়ে তিন হাজার একর এলাকাজুড়ে ছিল প্রাকৃতিক শাল-গজারির বন
- 📌 বর্তমানে প্রাকৃতিক শালবন টিকে আছে মাত্র ৫০ একর জায়গায়
- 📌 ইকোপার্ক ঘোষণার ফলে স্থানীয় কৃষকদের জীবিকা ও সামাজিক বনায়নের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে
- 📌 সামাজিক বনায়নে প্রায় দেড় হাজার মানুষ অংশীদার হিসেবে যুক্ত
📰 বিস্তারিত
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সন্তোষপুর বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। প্রাকৃতিক শালবনের অবশিষ্টাংশ রক্ষায় সেখানে ইকোপার্ক ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, ইকোপার্কের মাধ্যমে বৃক্ষসম্পদ ও বন্য প্রাণী সংরক্ষণ, জনসাধারণের বিনোদন এবং শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ তৈরি করা হবে।
একসময় প্রায় সাড়ে তিন হাজার একর এলাকাজুড়ে ছিল প্রাকৃতিক শাল-গজারির বন। বুনো শূকর, মেছো বাঘ ও হনুমানসহ বিভিন্ন বন্য প্রাণীর বিচরণ ছিল সেখানে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বন কমতে থাকে এবং মানুষের বসতি ও চাষাবাদ বাড়তে থাকে। ফলে বর্তমানে প্রাকৃতিক শালবন টিকে আছে মাত্র ৫০ একর জায়গায়।
৩ আগস্ট পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ী সন্তোষপুর মৌজার ওই বনভূমিকে ইকোপার্ক ঘোষণা করা হয়। ইকোপার্কের উদ্দেশ্য হলো বৃক্ষসম্পদ ও বন্য প্রাণী সংরক্ষণ, জনসাধারণের বিনোদন এবং শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ তৈরি করা।
সন্তোষপুর বিটের ডেপুটি রেঞ্জার ও বিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, প্রাকৃতিক বনে শালগাছ বা শালের চারা থাকলে সেখানে বাগান করা হয়নি। আগে থেকেই নষ্ট বা দখল হয়ে যাওয়া এলাকায় পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বনায়ন করা হয়েছে।
"৪০ বছর মেয়াদে সরকার আমাদের অংশীদার করেছে। গাছ দেখাশোনার পাশাপাশি বনে চাষাবাদ করে সংসার চালাই। ইকোপার্কের হলে এই ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায় কি–না দুশ্চিন্তায় আছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফুলবাড়িয়া উপজেলা, ময়মনসিংহ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুলেমান মিয়া (স্থানীয় কৃষক), মোহাম্মদ এমদাদুল হক (ডেপুটি রেঞ্জার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৬৫ একর (ইকোপার্ক এলাকা), ৫০ একর (প্রাকৃতিক শালবন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!