📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার সাংবাদিকদের উদ্দেশে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, সাংবাদিকদের কান ধরে কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ে নিয়ে দেখাতে হবে কয় টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। একইসঙ্গে রাকসুর অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের উদ্দেশে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন সংসদের সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজ ও স্থানীয় গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার সাংবাদিকদের উদ্দেশে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন
- 📌 তিনি দাবি করেন, সাংবাদিকদের কান ধরে কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ে নিয়ে দেখাতে হবে কয় টাকা উত্তোলন করা হয়েছে
- 📌 রাকসুর চলতি মেয়াদে ৪২টি কর্মসূচিতে ১ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৬৮৯ টাকা ব্যয় হয়েছে
- 📌 এর মধ্যে ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকার বিল-ভাউচার জমা দেওয়া হয়নি
- 📌 জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার এককভাবে উত্তোলন করেছেন ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে কেন্দ্র করে আলোচনার ঝড় বইছে। রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজ ও স্থানীয় গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাংবাদিকদের উদ্দেশে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি দাবি করেন, যে সাংবাদিক এই নিউজ করেছে তার কান ধরে কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ে নিয়ে দেখাতে হবে কয় টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাকসুর কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ের ব্যয়-সংক্রান্ত একটি নথি থেকে জানা গেছে, চলতি মেয়াদে ৪২টি কর্মসূচিতে রাকসুর তহবিল থেকে ১ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৬৮৯ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকার বিল-ভাউচার জমা দেওয়া হয়নি। এককভাবে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার উত্তোলন করেছেন ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা। তিন ধাপে নেওয়া ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার খরচের কোনো হিসাব বা ভাউচার জমা দেননি তিনি।
প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে রাকসু বৃহস্পতিবার বিকেলে গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। বিবৃতিতে বলা হয়, দায়িত্ব গ্রহণের পরেই রাকসুর আর্থিক কার্যক্রম নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি তহবিলে প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকার হিসাব পায়। এর মধ্যে ২ কোটি টাকা ফিক্সড ডিপোজিট রিসিপ্ট (এফডিআর) করা হয় এবং অবশিষ্ট প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা শিক্ষার্থী কল্যাণমূলক কার্যক্রমে ব্যয়ের সুযোগ রাখা হয়।
"রাকসুর কার্যবর্ষের এখনও প্রায় দুই মাস চলমান থাকা এবং বিভিন্ন বিভাগের একাধিক কার্যক্রম চলমান থাকা অবস্থাতেই কিছু ক্ষেত্রে অসম্পূর্ণ বা আংশিক তথ্যের ভিত্তিতে রাকসুর আর্থিক কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। অথচ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের পূর্ণাঙ্গ হিসাব-নিকাশ ও সরকারি অডিট এখনও সম্পন্ন হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সালাহউদ্দিন আম্মার (রাকসু জিএস)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪২টি কর্মসূচি, ১ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৬৮৯ টাকা, ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!