📅 ২১ আগস্ট ২০২৬, ৩:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দৈনিক লবণ গ্রহণের সর্বোচ্চ মাত্রা জানুন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দৈনিক লবণ গ্রহণের সর্বোচ্চ মাত্রা জানুন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ দুই হাজার মিলিগ্রাম সোডিয়াম গ্রহণ করা নিরাপদ। এর বেশি লবণ খেলে উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি বৈকল্য ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদ অধ্যাপক শম্পা শারমিন খান

টাঙ্গাইলের কুমুদিনী সরকারি কলেজের গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের প্রধান ও পুষ্টিবিদ অধ্যাপক শম্পা শারমিন খান জানিয়েছেন, একজন সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ দুই হাজার মিলিগ্রাম সোডিয়াম গ্রহণ করা নিরাপদ। সাধারণ সাদা লবণের হিসাবে এটি এক চা–চামচের সমান। তবে সেই পরিমাণও যেন উপচে না পড়ে বা চামচে উঁচু হয়ে না থাকে। অর্থাৎ, একটি চা–চামচে সমতল করে যতটুকু লবণ ধরে, তার বেশি গ্রহণ করা উচিত নয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ দুই হাজার মিলিগ্রাম সোডিয়াম গ্রহণ করা নিরাপদ
  • 📌 এক চা–চামচ সমতল লবণই হলো সেই সর্বোচ্চ মাত্রা
  • 📌 রান্না, পাতা, খাবার ও পানীয়—সব উৎস মিলিয়ে এই হিসাব করতে হবে
  • 📌 অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি বৈকল্য ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়

📰 বিস্তারিত

পুষ্টিবিদ অধ্যাপক শম্পা শারমিন খান জানান, লবণের স্বাস্থ্যকর মাত্রা সম্পর্কে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। কারণ লবণের পরিমাণ কম বা বেশি—দুটিই শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তিনি বলেন, "আমরা যে সাদা লবণ খাই, তার প্রধান উপাদান হলো সোডিয়াম ক্লোরাইড। একজন সুস্থ ব্যক্তির জন্য দৈনিক দুই হাজার মিলিগ্রাম সোডিয়াম গ্রহণ করা নিরাপদ। এর বেশি গ্রহণ করলে উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি বৈকল্য ও হৃদরোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন, লবণ গ্রহণের ক্ষেত্রে শুধু রান্না বা পাতার লবণ নয়, বরং খাবার ও পানীয়ের অন্যান্য উৎসেও লবণের উপস্থিতি রয়েছে। যেমন—হোয়াইট সস, কেচাপ, সয়া সস, মেয়োনিজ, মাখন, কাসুন্দি, পনির, ইনস্ট্যান্ট নুডলস, চানাচুর, চিপস, বিস্কুট, লোনা ইলিশ, প্রক্রিয়াজাত মাংস, ভাজা বাদাম ও বোরহানির মতো খাবারেও প্রচুর পরিমাণে লবণ থাকে। এমনকি টক ফলের শরবত, ওরস্যালাইন ও ইলেকট্রোলাইট ড্রিংকেও লবণের উপস্থিতি রয়েছে।

অধ্যাপক খান পরামর্শ দেন, সুস্থ থাকতে রান্নায় পরিমিত লবণ ব্যবহার করা উচিত। অতিরিক্ত লবণসমৃদ্ধ খাবার এড়িয়ে চলা জরুরি। তিনি বলেন, "কালেভদ্রে এ ধরনের খাবার খেলেও সেদিন অন্যান্য উৎস থেকে লবণের পরিমাণ কমিয়ে ভারসাম্য রাখতে হবে।" তিনি আরও জানান, কেনাকাটার সময় প্যাকেটজাত খাবারের লেবেলে সোডিয়ামের মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত।

"খুব কম কিংবা খুব বেশি লবণ—কোনোটাই ভালো নয়। অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ করলে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে। কিডনি বৈকল্য, হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়ে। আর যাঁরা এ ধরনের রোগে আক্রান্ত কিংবা যাঁদের হৃদ্বৈকল্য বা লিভার বৈকল্য আছে, তাঁরা রোজ কতটুকু লবণ গ্রহণ করতে পারবেন, তা বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে জেনে নেওয়া উচিত।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টাঙ্গাইল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক শম্পা শারমিন খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০০ মিলিগ্রাম (দৈনিক সর্বোচ্চ সোডিয়াম), ১ চা–চামচ (লবণের পরিমাণ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖