📌 ভারতের পাঞ্জাবের গুরু হর সাহাই এলাকায় বিয়ের আসরে বরের সঙ্গে ছবির মিল না পেয়ে কনে বিবাহ প্রত্যাখ্যান করেন। দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধের জেরে বিয়ে ভেঙে যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুই পক্ষ নিজেদের মধ্যে বিরোধ মীমাংসা করেছে
ভারতের পাঞ্জাবের ফিরোজপুর জেলার গুরু হর সাহাই এলাকায় বিয়ের আসরে বরের সঙ্গে ছবির মিল না পেয়ে বিয়ে ভেঙে দিয়েছেন এক কনে। ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন কনে অনুষ্ঠানে উপস্থিত বরের সঙ্গে তাঁর আগে দেখা ছবির মিল খুঁজে পাননি। ফলে বিয়ের আচার-অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগেই তিনি বিবাহ প্রত্যাখ্যান করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতের পাঞ্জাবের গুরু হর সাহাই এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে
- 📌 বিয়ের আগে কনের কাছে অন্য এক যুবকের ছবি দেখানো হয়েছিল বলে অভিযোগ
- 📌 বর হিসেবে উপস্থিত ব্যক্তির সঙ্গে ছবির মিল না থাকায় কনে প্রত্যাখ্যান করেন
- 📌 দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধের জেরে পুলিশ তদন্ত শুরু করে
- 📌 শেষ পর্যন্ত দুই পক্ষ নিজেদের মধ্যে বিরোধ মীমাংসা করে
📰 বিস্তারিত
ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পাঞ্জাবের ফিরোজপুর জেলার গুরু হর সাহাই এলাকায়। বিয়ের অনুষ্ঠানে রাজস্থানের ছাতারগড় থেকে বরযাত্রীরা এসেছিলেন। তবে বিয়ের আচার-অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগেই কনে তাঁর পরিবারকে জানান যে, তাঁকে অন্য এক যুবকের ছবি দেখানো হয়েছিল। কিন্তু অনুষ্ঠানে উপস্থিত বরের সঙ্গে সেই ছবির মিল না থাকায় তিনি বিবাহ প্রত্যাখ্যান করেন। ফলে বিয়ে সম্পন্ন না করেই অনুষ্ঠান শেষ হয়।
বরের স্বজনরা এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানান যে, দুই পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ে ঠিক হয়েছিল। তাঁদের দাবি, উভয় পরিবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ রেখেছিল এবং কনেপক্ষকে বরের ছবি পাঠানো হয়েছিল। বরের নানা মহেন্দ্র সিং বলেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে কনের মায়ের কাছেও বরের ছবি সরবরাহ করা হয়েছিল।
বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর বরের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হলে গুরু হর সাহাই থানার ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (ডিএসপি) তেজিন্দরপাল সিং ঘটনার তদন্ত শুরু করেন। তিনি জানান, দুই দিন আগে অভিযোগটি পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনার পারিপার্শ্বিকতা খতিয়ে দেখতে শুরু করে। তদন্তের অংশ হিসেবে বর ও কনের পরিবারের বক্তব্য শোনেন পুলিশ কর্মকর্তারা। পরে দুই পরিবার আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ মীমাংসা করে।
"শেষ পর্যন্ত দুই পক্ষ নিজেদের মধ্যে বিষয়টি নিষ্পত্তি করেছে। তবে বিয়েটি আর হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুরু হর সাহাই, ফিরোজপুর জেলা, পাঞ্জাব, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডিএসপি তেজিন্দরপাল সিং, মহেন্দ্র সিং
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ আগস্ট ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!