📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ময়মনসিংহে বিদেশি ফলের স্বপ্ন: লোকসান থেকে সাফল্যের গল্পে উদ্যোক্তাদের জয়যাত্রা

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: আশরাফ আহমেদ আশরাফ আহমেদ
ময়মনসিংহে বিদেশি ফলের স্বপ্ন: লোকসান থেকে সাফল্যের গল্পে উদ্যোক্তাদের জয়যাত্রা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় দুই তরুণ উদ্যোক্তার গড়ে তোলা বিদেশি ফলের বাগান এখন সাফল্যের প্রতীক। দেশি ফল চাষে লোকসানের পর থাইল্যান্ড থেকে আমদানি করা রাম্বুটান ও লংগান চাষ করে তারা আয় করেছেন কোটি টাকা

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বিরুনিয়া ইউনিয়নের গোয়ারী গ্রামে প্রায় ২০ বিঘা জমিতে গড়ে উঠেছে বিদেশি ফলের স্বপ্নের বাগান। দুই তরুণ উদ্যোক্তা শেখ মামুন ও আশরাফ শুভ ১০ বছরের জন্য জমি ইজারা নিয়ে গড়ে তুলেছেন ‘তাইফ অ্যাগ্রো’ নামের এই বাগান। ঢাকার বাড্ডার বাসিন্দা এই দুই উদ্যোক্তা শুরু করেছিলেন দেশি ফলের চাষ দিয়ে, কিন্তু লোকসানের মুখ দেখে পরে বিদেশি ফলের দিকে ঝুঁকেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দুই তরুণ উদ্যোক্তা শেখ মামুন ও আশরাফ শুভ ভালুকা উপজেলায় ২০ বিঘা জমিতে বিদেশি ফলের বাগান গড়ে তুলেছেন
  • 📌 ২০১৯ সালে দেশি ফল চাষ শুরু করলেও উৎপাদন খরচ উঠাতে না পেরে হতাশ হন উদ্যোক্তারা
  • 📌 থাইল্যান্ড থেকে আমদানি করা রাম্বুটান ও লংগান চাষে এখন বছরে ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা আয় করছেন তারা
  • 📌 রাম্বুটান প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০০ টাকা ও লংগান প্রতি কেজি ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে
  • 📌 বাগান থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০ লাখ টাকার রাম্বুটান ও লাখ টাকার লংগান বিক্রি হয়েছে

📰 বিস্তারিত

ভালুকা-গফরগাঁও সড়ক থেকে ইটের সলিং করা পথ ধরে কিছুদূর এগোলেই দেখা মিলবে থোকায় থোকায় ঝুলতে থাকা লাল রাম্বুটান ও সুস্বাদু লংগানের সমারোহ। ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বিরুনিয়া ইউনিয়নের গোয়ারী গ্রামের প্রায় ২০ বিঘা জমিতে গড়ে উঠেছে ‘তাইফ অ্যাগ্রো’ নামের বিদেশি ফলের বাগান। দুই তরুণ উদ্যোক্তা শেখ মামুন ও আশরাফ শুভ ২০১৬ সালে এক বন্ধুর মাধ্যমে ভালুকায় জমি ইজারা নিয়ে শুরু করেছিলেন এই স্বপ্নের প্রকল্প।

শুরুতে দেশি ফল চাষ করলেও উৎপাদিত ফল বিক্রি করে উৎপাদন খরচ উঠাতে পারেননি উদ্যোক্তারা। দেশি ফলের মধ্যে বরই ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজি, পেয়ারা ১০ থেকে ১৫ টাকা কেজি ও আম ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতো। হিসাব করে দেখেন যে এভাবে ব্যবসা চালানো সম্ভব নয় বলে জানান শেখ মামুন।

২০১৯ সালে দেশি ফল চাষে হতাশ হয়ে উদ্যোক্তারা বিদেশি ফলের দিকে মনোযোগ দেন। থাইল্যান্ড থেকে ৪০০টি রাম্বুটান ও লংগানের চারা আমদানি করে ২০২০ সালের শেষ দিকে বাগানে রোপণ করেন। শুরুতে রাসায়নিক সারের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে ১৮৮টি গাছ মারা যায়। বর্তমানে ২১২টি রাম্বুটান গাছ রয়েছে। কৃষি বিভাগের পরামর্শে কেঁচো কম্পোস্ট সার ব্যবহার শুরু করায় ফলন কয়েক গুণ বেড়ে যায়।

২০২৩ সালে প্রথম ফল আসতে শুরু করে। গত বছর প্রায় ৬০ লাখ টাকার রাম্বুটান বিক্রি হয়েছে বলে জানান শেখ মামুন। চলতি বছর দ্বিগুণ ফলনের আশা থাকলেও অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে ফল আশানুরূপ না হলেও ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকার ফল বিক্রির আশা করছেন তিনি। বর্তমানে রাম্বুটান প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০০ টাকা ও লংগান প্রতি কেজি ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

উদ্যোক্তা আশরাফ শুভ জানান, তাদের বাগানে ফোর সিজন, কোহেলা, রুবি, হোয়াইট, পিংপং, ডায়মন্ড রিভারসহ বিভিন্ন জাতের লংগান রয়েছে। থাইল্যান্ড থেকে সংগ্রহ করা ৫০টি চারা দিয়ে শুরু করা পরীক্ষামূলক চাষ এখন সফল হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় লাখ টাকার লংগান বিক্রি করেছেন তারা। দেশের বিভিন্ন সুপারশপ ও ফলের আড়তের ব্যবসায়ীরা সরাসরি বাগান থেকে ফল সংগ্রহ করছেন বলে জানান তিনি।

"আমাদের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে বাজার খুঁজতে হয় না। পাইকারেরা নিজেরাই বাগানে চলে আসেন। খুচরা ক্রেতারাও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফল কিনতে আসেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভালুকা উপজেলা, ময়মনসিংহ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ মামুন, আশরাফ শুভ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ বিঘা জমি, ১ কোটি ২০ লাখ টাকা বিনিয়োগ, ৬০ লাখ টাকা আয় (গত বছর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖