📌 মুন্সিগঞ্জের হাটলক্ষীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল এলাকায় সরকারি জায়গায় নতুন স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, প্রভাবশালীদের ভয়ে প্রতিবাদ করতে পারছেন না তারা। বিআইডব্লিউটিএ ইতিমধ্যে একই এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করলেও পুনরায় দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে
মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার হাটলক্ষীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনালের পশ্চিম পাশে ধলেশ্বরী নদীর তীরবর্তী সরকারি জায়গায় নতুন স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকাশ্যে নির্মাণকাজ চললেও দখলদারদের ভয়ে এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা মুখ খুলতে পারছেন না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুন্সিগঞ্জের হাটলক্ষীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল এলাকায় সরকারি জায়গায় স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ
- 📌 ২০২৪ সালে বিআইডব্লিউটিএ একই এলাকায় অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছিল
- 📌 স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণকাজের ফলে নদীতীরের খোলা জায়গা সংকুচিত হবে
- 📌 মুন্সিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শেখ এনামুল হক বিষয়টির তদন্ত শুরু করেছেন
📰 বিস্তারিত
মুন্সিগঞ্জ পৌরসভার হাটলক্ষীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনালের পশ্চিম পাশে ধলেশ্বরী নদীর তীরে সরকারি জায়গায় নতুন স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকাশ্যে নির্মাণকাজ চললেও দখলদারদের ভয়ে এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা মুখ খুলতে পারছেন না। আজ মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, মুন্সিগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনালসংলগ্ন নদীর পাড় ঘেঁষে একটি স্থাপনার নির্মাণকাজ চলছে।
স্থানীয়দের দাবি, নির্মাণাধীন স্থাপনাটি তীরবর্তী সরকারি জায়গায় হওয়ায় এলাকায় ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালে একই এলাকায় অভিযান চালিয়ে অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছিল বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। উচ্ছেদের পর জায়গাটি দীর্ঘদিন ফাঁকা ছিল। বিকেলে সেখানে শহরের অনেক মানুষ নদীর পাড়ে ঘোরাঘুরি ও সময় কাটাতেন।
স্থানীয় একটি বাল্কহেড জাহাজ মালিক সমিতির সংশ্লিষ্টতার কথা বললেও সংগঠনটির সহসভাপতি মো. আব্দুল জব্বার তা অস্বীকার করেছেন। আব্দুল জব্বার বলেন, ‘এখানে আগে আমাদের একটি ঘর ছিল। সরকার সেটি ভেঙে দেওয়ার পর আমরা অন্য জায়গায় অফিস ভাড়া নিয়েছি। শুনেছি এখানে নতুন দোকান নির্মাণ হচ্ছে। তবে কারা নির্মাণ করছে, তা আমাদের জানা নেই।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘আগেও এখানে নদীর পাড়ে অবৈধ স্থাপনা ছিল। সরকার সেগুলো উচ্ছেদ করেছে। এখন আবার দখল শুরু হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে অন্যরাও নদীর পাড় দখলে উৎসাহিত হবে। কিন্তু প্রভাবশালী মহলের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে পারছেন না।’
মুন্সিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শেখ এনামুল হক বলেন, ‘যেখানে স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে, সেখানে আমাদেরও কিছু জমি রয়েছে। তবে মূল অংশটি বিআইডব্লিউটিএর। আমরা ইতিমধ্যে লোক পাঠিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি। বিষয়টি যাচাই করে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘জায়গাটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন। বিষয়টি তাদের অবহিত করা হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে প্রশাসনিক সহায়তা চাওয়া হলে তাৎক্ষণিক সহযোগিতা করা হবে।’
‘এখানে আগে আমাদের একটি ঘর ছিল। সরকার সেটি ভেঙে দেওয়ার পর আমরা অন্য জায়গায় অফিস ভাড়া নিয়েছি। শুনেছি এখানে নতুন দোকান নির্মাণ হচ্ছে। তবে কারা নির্মাণ করছে, তা আমাদের জানা নেই।’ — মো. আব্দুল জব্বার, সহসভাপতি, স্থানীয় বাল্কহেড জাহাজ মালিক সমিতি
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুন্সিগঞ্জ পৌরসভা, হাটলক্ষীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ এনামুল হক, মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, মো. আব্দুল জব্বার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০+ (২০২৪ সালে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক উচ্ছেদকৃত অবৈধ স্থাপনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!