📌 মেট্রোরেলে পঞ্চাশোর্ধ্ব এক নারী বাধ্য হয়ে দাঁড়িয়ে যেতে হয়, কারণ তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষরা অগ্রাধিকার আসনে বসে থাকেন। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন যাত্রীদের জন্য নির্ধারিত আসনগুলোতে বসার নিয়ম মানতে যাত্রীদের সচেতনতার অভাব দেখা যায়
ঢাকার মেট্রোরেলে পঞ্চাশোর্ধ্ব এক নারীকে বাধ্য হয়ে দাঁড়িয়ে যেতে হয়েছে, যখন তার পাশেই বয়স্ক ব্যক্তি, অন্তঃসত্ত্বা নারী ও প্রতিবন্ধীদের জন্য নির্ধারিত ছয়টি অগ্রাধিকার আসন দখল করে বসেছিলেন তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষ যাত্রীরা। ট্রেনের স্পিকারে বারবার নির্দেশনা দেওয়া হলেও কোনো যাত্রী আসন ছেড়ে দেননি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 উত্তরা দক্ষিণ স্টেশনে পঞ্চাশোর্ধ্ব এক নারীকে বাধ্য হয়ে দাঁড়িয়ে যেতে হয়, কারণ তার পাশের অগ্রাধিকার আসনে বসে ছিলেন তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষরা
- 📌 মেট্রোরেলের সাধারণ কোচে বয়স্ক ব্যক্তি, অন্তঃসত্ত্বা নারী ও প্রতিবন্ধীদের জন্য ছয়টি অগ্রাধিকার আসন থাকলেও এসব আসনে বসতে যাত্রীদের সচেতনতার অভাব
- 📌 মিরপুরের বাসিন্দা জিনাত তাজনিন (৪৩) বলেন, সাধারণ বগিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন যাত্রীদের জন্য আলাদা আসন থাকলেও তরুণরা এসব জায়গা দখল করে রাখেন
- 📌 একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জানান, সাধারণ বগিতে অগ্রাধিকার আসনের বিষয়টি তিনি জানতেন না, স্পিকারে ঘোষণা শুনে জানতে পারেন
- 📌 মেট্রোরেল পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, অগ্রাধিকার আসনে স্টিকার লাগানো, ছবি প্রদর্শন ও অডিও ঘোষণা করা হলেও মানবিক সচেতনতার অভাব দেখা যায়
- 📌 বুধবার ভ্রাম্যমাণ আদালত মিরপুর ১১ স্টেশনের এলাকায় অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করে এবং অগ্রাধিকার আসনে যাত্রীদের বসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করে
📰 বিস্তারিত
বুধবার দুপুরবেলা উত্তরা দক্ষিণ স্টেশনে মেট্রোরেলে উঠলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব এক নারী। বগিতে বসার কোনো জায়গা ফাঁকা ছিল না। বাধ্য হয়ে তিনি পুরো পথ দাঁড়িয়ে যেতে হলো। তাঁর পাশেই ছিল বয়স্ক ব্যক্তি, অন্তঃসত্ত্বা নারী ও প্রতিবন্ধীদের জন্য নির্ধারিত ছয়টি অগ্রাধিকার আসন। কিন্তু এসব আসনে বসে ছিলেন তরুণ ও মধ্যবয়সী পুরুষ যাত্রীরা। ট্রেন চলতে শুরু করার পর পরের স্টেশনগুলো থেকে ভিড় বাড়তে থাকলেও কোনো যাত্রী আসন ছেড়ে দেননি।
মিরপুরের বাসিন্দা জিনাত তাজনিন (৪৩) বলেন, তিনি নিয়মিত এই পথে মেট্রোরেলে যাতায়াত করেন। তিনি জানান, সাধারণ বগিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন যাত্রীদের জন্য আলাদা আসন চিহ্নিত থাকলেও অনেক সময় এসব আসনে বসতে দেওয়া হয় না। বেশির ভাগ সময় তরুণ ও যুবকেরা এসব জায়গা দখল করে রাখেন। জিনাত নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলেন, কিছুদিন আগে মিরপুর ১০ স্টেশনে এক নারী সন্তান কোলে নিয়ে ট্রেনে উঠলেন। ওই সময় তাঁদের জন্য নির্ধারিত আসনে কয়েকজন তরুণ বসে ছিলেন। অনুরোধ করার পরেও তাঁরা ওঠেননি।
একজন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জানান, তিনি মেট্রোরেলে নারীদের জন্য আলাদা বগি থাকার বিষয়টি জানতেন। কিন্তু সাধারণ বগিতে অগ্রাধিকার আসনের বিষয়টি তিনি জানতেন না। ট্রেন ছাড়ার সময় হয়ে যাওয়ায় তিনি তাড়াহুড়া করে সাধারণ বগিতে উঠে পড়েন। পরে স্পিকারে ঘোষণা শুনে তিনি বিষয়টি জানতে পারলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকলেও কেউ তাঁকে নিজের জায়গা ছেড়ে দেননি।
মেট্রোরেল পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, নারী, প্রতিবন্ধী ও বয়স্কদের আসনগুলোতে স্টিকার লাগানো আছে। ছবি প্রদর্শন করা হয় এবং অডিও ঘোষণা প্রচার করা হয়। তিনি বলেন, চার ধরনের নির্দেশনা থাকলেও যদি না মানা হয়, তা দুঃখজনক। যাত্রীরা সচেতনতা থেকে মানবেন, এটাই চাওয়া।
"নারী, প্রতিবন্ধী ও বয়স্কদের আসনগুলোতে স্টিকার লাগানো আছে। ছবি দেওয়া হয়েছে। ট্রেনের ভেতর ভিডিও ডিসপ্লেতে দেখানো হয়। অডিও ঘোষণা প্রচার করা হয়। চার ধরনের নির্দেশনা থাকার পরেও যদি না মানা হয়, তা দুঃখজনক।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তরা দক্ষিণ স্টেশন, মিরপুর ১০ ও ১১ স্টেশন, ঢাকা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: জিনাত তাজনিন (৪৩), মো. নজরুল ইসলাম, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৩ বছর (জিনাতের বয়স), ৬টি (অগ্রাধিকার আসন), ১০ ও ১১ (মিরপুর স্টেশন নম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!