📌 মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির বনরুটিতে ধারালো ব্লেড পাওয়া গেছে। অভিভাবকরা বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং স্থানীয় প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার হরিন্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর পরিবারের অভিযোগ, স্কুল ফিডিং কর্মসূচির অধীনে দেওয়া বনরুটিতে ধারালো ব্লেড পাওয়া গেছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬ আগস্ট শ্রীপুর উপজেলার হরিন্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বাড়িতে নিয়ে আসা বনরুটিতে ধারালো ব্লেড দেখতে পায়।
- 📌 শিক্ষার্থীর মা বিলকিস আক্তার লিজা জানান, রুটির মাঝখান থেকে ব্লেডটি বেরিয়ে আসে।
- 📌 বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আফরোজা শিরিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন।
- 📌 স্কুল ফিডিং সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. মোজাম্মেল হোসেন জানান, তাঁর কাছে এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ আসেনি।
- 📌 শ্রীপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ ঘটনাটি তদন্তের কথা জানিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার হরিন্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসনিম অর্চি গত ৬ আগস্ট স্কুল থেকে পাওয়া বনরুটিটি বাড়িতে নিয়ে আসে। রাতে দুই বোন মিলে রুটিটি ভাগ করে খাওয়ার সময় ভেতরে ধারালো ব্লেড দেখতে পায় বলে অভিযোগ পরিবারের। বিষয়টি নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েন অভিভাবকরা।
গত শুক্রবার ও শনিবার বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় রোববার অভিভাবকেরা বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষিকাকে বিষয়টি জানান। প্রধান শিক্ষিকা আফরোজা শিরিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তিনি ঘটনার দিন ছুটিতে ছিলেন। পরে এসে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলেন এবং রুটির ছবি তুলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানান।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক প্রবীর চক্রবর্তী জানান, ৯ আগস্ট এক অভিভাবক রুটিটি এনে দেখান। রুটির মাঝখান থেকে একটি ধারালো ব্লেড বেরিয়ে আসে। তিনি বিষয়টি প্রধান শিক্ষিকাকে জানান।
"শিশুদের খাবারে এমন বিপজ্জনক বস্তু পাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা চাই, শিশুরা স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ খাবার পাক।" — বিলকিস আক্তার লিজা, শিক্ষার্থীর মা
এদিকে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির অধীনে খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. মোজাম্মেল হোসেন জানান, এ ধরনের কোনো অভিযোগ তাঁর কাছে আসেনি। তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানান।
শ্রীপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ জানান, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তিনি বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেওয়ার কথা জানান।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শ্রীপুর উপজেলা, মাগুরা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিলকিস আক্তার লিজা, আফরোজা শিরিন, প্রবীর চক্রবর্তী, মো. মোজাম্মেল হোসেন, আব্দুর রশিদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ আগস্ট, ৯ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!