📌 কুষ্টিয়ার কুমারখালীর লালন আখড়াবাড়ির দানবাক্সে দ্বিতীয়বারের মতো প্রকাশ্যে খোলা হয়। ১৫ দিনের ব্যবধানে এইবার ৮ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ টাকা পাওয়া যায়। স্থানীয় প্রশাসন ও লালন একাডেমির সদস্যদের উপস্থিতিতে টাকা গণনা করা হয়
কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ফকির লালন শাহর আখড়াবাড়ির দানবাক্সে দ্বিতীয়বারের মতো প্রকাশ্যে খোলা হয়েছে। সোমবার দুপুরে দুটি দানবাক্স থেকে ৮ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ টাকা পাওয়া গেছে। জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে সিলগালা ভেঙে টাকা গণনা করা হয়। লালন একাডেমির চারতলা ভবনে তিন ঘণ্টা ধরে টাকার হিসাব নেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুমারখালী উপজেলায় লালন আখড়াবাড়ির দানবাক্সে ৮ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ টাকা পাওয়া যায়
- 📌 প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে খোলা হয় ১০ অক্টোবর, তখন পাওয়া যায় ৬ লাখ ৪৯ হাজার ৩৪৮ টাকা
- 📌 ১৩৬তম তিরোধান দিবসের সাত দিন পর এইবার দানবাক্স খোলা হয়
- 📌 জেলা প্রশাসক জাকির হোসেনসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন
- 📌 দানবাক্সের টাকা লালন একাডেমির ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়া হয়
📰 বিস্তারিত
কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাইসুল ইসলাম জানান, লালন সাঁইয়ের উৎসবের চারটি দিনে দানবাক্স খোলা হয়। এইবার ১৩৬তম তিরোধান দিবসের সাত দিন পর দানবাক্স খোলা হয়েছে। প্রতিবছর তিরোধান দিবস ও দোলপূর্ণিমা উপলক্ষে আখড়াবাড়িতে সরকারি ও স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এসব অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশ থেকে হাজারো ভক্ত ও দর্শনার্থী আসেন।
লালন একাডেমির সদস্যসচিব ও জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মেহেদী হাসান বলেন, দানবাক্সের টাকা গণনা করা হয়েছে এবং তা একাডেমির ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়া হয়েছে। গণনার কাজে জেলা প্রশাসন ও লালন একাডেমির কর্মচারীদের সহায়তা নেওয়া হয়। গত বছর ১৩৫তম তিরোধান দিবসের আগে ৪ লাখ ৯২ হাজার ২৬৪ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। তিরোধান দিবসের তিন দিন পর আবার খুলে পাওয়া যায় ৯ লাখ ২২ হাজার ২৪২ টাকা।
আখড়াবাড়িতে থাকা কল্পনা বলেন, ‘আমরা চাই দানবাক্সের টাকা সঠিকভাবে ব্যবহার করা হোক। এই টাকা দিয়ে আখড়াবাড়িতে উন্নয়নমূলক কাজ করা হোক।’ স্থানীয় লোকজন দানের অর্থের সঠিক ব্যবহার ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
"আমরা চাই দানবাক্সের টাকা সঠিকভাবে ব্যবহার করা হোক। এই টাকা দিয়ে আখড়াবাড়িতে উন্নয়নমূলক কাজ করা হোক"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমারখালী উপজেলা, কুষ্টিয়া
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মো. রাইসুল ইসলাম (ইউএনও), জাকির হোসেন (জেলা প্রশাসক), মেহেদী হাসান (সদস্যসচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ টাকা (এইবার পাওয়া টাকা), ৬ লাখ ৪৯ হাজার ৩৪৮ টাকা (প্রথমবারের টাকা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!