📅 ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

হাতিরঝিলের দুর্গন্ধে ঢাকাবাসীর জীবন বিপন্ন, দূষণে বাস্তুতন্ত্র নষ্ট হচ্ছে

হাতিরঝিলের দুর্গন্ধে ঢাকাবাসীর জীবন বিপন্ন, দূষণে বাস্তুতন্ত্র নষ্ট হচ্ছে

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 হাতিরঝিলের দূষণ ও দুর্গন্ধ ঢাকার সোনারগাঁও, মগবাজার ও মহানগর এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পয়োবর্জ্যের অপারগ ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে লেকের বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে

হাতিরঝিলের তীব্র দুর্গন্ধ ও দূষণ ঢাকার নগরবাসীদের জীবনযাত্রাকে বিপন্ন করে তুলেছে। একসময় রাজধানীর প্রিয় জলাধারটি এখন দূষণ ও কালচে পানির কারণে দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। লেকের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে সোনারগাঁও, মগবাজার, রামপুরা ও মহানগর এলাকায়। পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, দীর্ঘদিন ধরে পয়োবর্জ্যের অপারগ ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে জলাধারটির বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং ক্ষতিকর গ্যাস উৎপন্ন হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হাতিরঝিলের পানি কালচে ও ময়লাযুক্ত হয়ে পড়েছে, তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে আশপাশের এলাকায়
  • 📌 ২০১৩ সালে উদ্বোধনের পর থেকে দায়িত্ব পালনকারী সেনাবাহিনী ও রাজউকের তত্ত্বাবধানে লেকের অবস্থা অবনতির দিকে যাচ্ছে
  • 📌 বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ অনুযায়ী পয়োবর্জ্য বন্ধ ও পানির পরিশোধন ব্যবস্থা না হওয়ায় দূষণ বেড়েছে
  • 📌 হাতিরঝিলের বাস্তুতন্ত্র ইউট্রোফিকেশন পর্যায়ে পৌঁছেছে, পানির গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে
  • 📌 স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দুর্গন্ধের কারণে লেকে আসা কমেছে এবং অনেকেই বাসা পাল্টে ফেলেছেন

📰 বিস্তারিত

হাতিরঝিলের অবস্থা এতটাই খারাপ যে লেকের পাশ দিয়ে হাঁটার সময় অনেকেই নাক-মুখ চেপে রাখতে বাধ্য হন। মহানগর প্রজেক্টের বাসিন্দা আলমাস সরকার বলেন, ‘একসময় নিয়মিত লেকে হাঁটতে আসতাম। এখন কালেভদ্রে আসি। তীব্র দুর্গন্ধে যেন জীবন বেরিয়ে আসার অবস্থা। আসলে এখানে আর হাঁটার বা অবস্থান করার কোনো পরিবেশ নেই।’ দুর্গন্ধের প্রভাব পড়ছে আশপাশের আবাসিক এলাকাতেও। মহানগর আবাসিক এলাকার বাসিন্দা তাসলিমা আক্তার জানান, ‘হাতিরঝিলের দুর্গন্ধ আর লেকের সীমানায় আটকে নেই। আমাদের বাসাবাড়িতেও দুর্গন্ধ চলে এসেছে। তীব্র এ দুর্গন্ধে বসবাস করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। যারা ভাড়া থাকেন, তাদের অনেকেই বাসা পাল্টে ফেলেছেন।’

২০১৩ সালের জানুয়ারিতে উদ্বোধনের পর থেকে হাতিরঝিলের ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্পেশাল ওয়ার্কস অর্গানাইজেশন (এসডব্লিউও)। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২১ সালের ৩০ জুন শেষ হলে দায়িত্ব রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)কে হস্তান্তর করা হয়। তবে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, রাজউকের তত্ত্বাবধানে যাওয়ার পর থেকে ধীরে ধীরে হাতিরঝিলের পরিবেশের অবনতি ঘটেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পানির দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণে রাসায়নিক প্রয়োগ ও তলদেশে অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা ছিল, কিন্তু পরবর্তীতে এসব কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হয়নি।

হাতিরঝিল নির্মাণ ও নকশা প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান ‘ভিত্তি স্থপতি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইকবাল হাবিব বলেন, রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে হাতিরঝিল ইউট্রোফিকেশন বা অতিরিক্ত পুষ্টি উপাদান জমে জলজ পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে পড়েছে। তিনি জানান, প্রায় দেড় বছর আগে হাতিরঝিলের দূষণ নিয়ন্ত্রণে করণীয় নির্ধারণের জন্য রাজউকে একটি বৈঠক হয়। বিশেষজ্ঞরা সুপারিশ জমা দেন, কিন্তু দেড় বছরেও সেগুলো বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। বিশেষজ্ঞদের অন্যতম সুপারিশ ছিল লেকে পয়োবর্জ্য প্রবেশ বন্ধ করা এবং বর্জ্য দাশেরকান্দি পয়ঃশোধনাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা করা।

"লেকে পয়োবর্জ্য প্রবেশ বন্ধ করা ছিল বিশেষজ্ঞদের অন্যতম প্রধান সুপারিশ। লেকের দুই পাশের বড় পাইপের মাধ্যমে বর্জ্য দাশেরকান্দি পয়ঃশোধনাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এসব সুপারিশ বাস্তবায়নে অগ্রগতি হয়নি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (সোনারগাঁও, মগবাজার, রামপুরা, মহানগর)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলমাস সরকার, তাসলিমা আক্তার, ইকবাল হাবিব (ভিত্তি স্থপতি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০১৩ (উদ্বোধন), ২০২১ (৩০ জুন, দায়িত্ব হস্তান্তর), ২০০০ কোটি টাকা (প্রকল্প ব্যয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖