📅 ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ৯০ দিন স্বাধীনভাবে যুদ্ধ পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে: বিদ্যুৎ থেকে রসদ পর্যন্ত স্বনির্ভরতা

মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ৯০ দিন স্বাধীনভাবে যুদ্ধ পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে: বিদ্যুৎ থেকে রসদ পর্যন্ত স্বনির্ভরতা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পেন্টাগন ৯০ দিনের জন্য বিদ্যুৎ, পানি, জ্বালানি ও রসদ সংরক্ষণ করে সামরিক কার্যক্রম স্বাধীনভাবে চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে। বিদ্যুৎ গ্রিডের ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হলে যুদ্ধ পরিচালনার বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো বড় যুদ্ধের সম্ভাবনা মোকাবেলায় ৯০ দিনের জন্য সম্পূর্ণ স্বনির্ভরতা অর্জনের উদ্যোগ নিচ্ছে। পেন্টাগন ‘ফোর্ট্রেস’ উদ্যোগের আওতায় সামরিক বাহিনীর বেসামরিক অবকাঠামো ও পরিষেবা থেকে বিচ্ছিন্নতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। সম্ভাব্য সংঘাতে বিদ্যুৎ গ্রিড অচল, সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত বা গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা থেকে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো ৯০ দিনের জন্য বাইরের সহায়তা ছাড়াই যুদ্ধ পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে — ‘ফোর্ট্রেস’ উদ্যোগের আওতায়
  • 📌 বিদ্যুৎ, পানি, জ্বালানি ও যোগাযোগব্যবস্থার নিরবচ্ছিন্নতা নিশ্চিত করতে বহনযোগ্য পারমাণবিক চুল্লি, ব্যাটারি ও মাইক্রোগ্রিড স্থাপনের পরিকল্পনা
  • 📌 আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হলে অস্ত্র, জ্বালানি, খনিজ ও চিকিৎসাসামগ্রীর কৌশলগত মজুত গড়ে তোলা হবে
  • 📌 পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল বলেছেন, ‘বিদ্যুৎ এখন যুদ্ধেরই একটি অংশ — এর অভাবে সামরিক কার্যক্রমের মৌলিক কাঠামো হারিয়ে যাবে’
  • 📌 মার্কিন অভ্যন্তরীণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ‘দুটি মহাসাগর সুরক্ষা’ ধারণা থেকে সরে আসা — প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নতুন কৌশলগত মনোভাবের প্রতিফলন

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো বড় যুদ্ধের সম্ভাবনা মোকাবেলায় ৯০ দিনের জন্য সম্পূর্ণ স্বনির্ভরতা অর্জনের উদ্যোগ নিচ্ছে। পেন্টাগন ‘ফোর্ট্রেস’ (FORTRESS) নামের বৃহত্তর সামরিক উদ্যোগের আওতায় এ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর লক্ষ্য হলো, সামরিক বাহিনী যেসব বেসামরিক অবকাঠামো ও পরিষেবার ওপর নির্ভরশীল, সেগুলো ব্যাহত হলেও যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা বজায় রাখা। পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল ফক্স নিউজকে বলেছেন, “জাতীয় প্রতিরক্ষা পরিচালনায় প্রচলিত বেসামরিক পৌর অবকাঠামোর ওপর নির্ভরতা আমাদের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা তা কোনোভাবেই করতে পারি না। এটি এমন এক ঝুঁকি, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

বিদ্যুৎ গ্রিডের ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি, পেন্টাগন সংকটের সময় বেসামরিক কারখানাগুলোকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে রূপান্তরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফোর্ট্রেস উদ্যোগের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে অবস্থিত প্রতিটি বড় সামরিক স্থাপনাকে ৯০ দিনের জন্য স্বাধীনভাবে কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। এর জন্য বিদ্যুৎ, পানি, জ্বালানি ও যোগাযোগব্যবস্থার নিরবচ্ছিন্নতা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পার্নেল বলেছেন, “বিদ্যুৎ এখন যুদ্ধেরই একটি অংশ। বিদ্যুৎ না থাকলে যোগাযোগব্যবস্থা, পানি সরবরাহ, রসদ পরিবহন, উৎপাদন লাইন এবং সামরিক বাহিনীর মৌলিক কমান্ড কাঠামোও হারিয়ে যায়।”

বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা মোকাবেলায় ফোর্ট্রেসের আওতায় গোলাবারুদ, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ, খুচরা যন্ত্রাংশ এবং চিকিৎসাসামগ্রীর কৌশলগত মজুত গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পার্নেল আরও বলেছেন, “পরবর্তী সংঘাত সম্ভবত একাধিক রণাঙ্গনে পরিচালিত হবে। বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থা ভেঙে পড়লে আমাদের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা ব্যাহত হবে। এ কারণে আমরা বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

"আমরা আমাদের জাতীয় প্রতিরক্ষা পরিচালনার জন্য প্রচলিত বেসামরিক পৌর অবকাঠামোর ওপর নির্ভর করতে চাই না। আমরা তা কোনোভাবেই করতে পারি না। এটি এমন এক ঝুঁকি, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো (মূল ভূখণ্ড)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শন পার্নেল (পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ দিন (স্বনির্ভরতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖