📌 বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে কুড়িগ্রামে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। গবাদিপশুর খামারি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত। বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় লোডশেডিং দিতে বাধ্য হচ্ছে তারা।
কুড়িগ্রামে বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে গবাদিপশুর খামারিরা। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ও ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার ধামশ্রেলি ইউনিয়নের সুরির ডারা গ্রামের খামারি আনিছুর রহমান তাঁর ১১টি গরুর খামার নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন
- 📌 আনিছুর রহমান জানান, গরমে গরুগুলো খেতে পারছে না, হাঁপাচ্ছে এবং দুধ উৎপাদন কমে গেছে
- 📌 উলিপুরের যুব উদ্যোক্তা মারুফ আহমেদ ফেসবুকে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে রাতে ঘুমাতে না পারার অভিযোগ তুলেছেন
- 📌 কুড়িগ্রাম শহরের পাওয়ারহাউজপাড়া এলাকার ওয়ার্কশপ ব্যবসায়ী সুমন জানান, দিনে মাত্র ৩-৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকায় ব্যবসায়িক ক্ষতি হচ্ছে
- 📌 বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জেলায় প্রায় ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চাহিদার বিপরীতে সর্বোচ্চ ৪৩ মেগাওয়াট সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে কুড়িগ্রামে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তারা চরম সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। উলিপুর উপজেলার ধামশ্রেলি ইউনিয়নের সুরির ডারা গ্রামের খামারি আনিছুর রহমান তাঁর খামারে থাকা ১১টি গরুর স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাঁর খামারে ফ্রিজিয়ান ও ক্রোস জাতের চারটি দুধের গাভিসহ মোট ১১টি গরু রয়েছে। আনিছুর রহমান বলেন, ‘গরমে গরুগুলো খেতে পারছে না। দিন-রাত হাঁপাচ্ছে। গাভিগুলোর দুধ কমে গেছে। যে গরম পড়ছে, তাতে হিট স্ট্রোকের আশঙ্কায় স্থির থাকতে পারছি না।’
উলিপুরের যুব উদ্যোক্তা মারুফ আহমেদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লেখেন, ‘তীব্র গরমে সারা দিন কাজ করার পর রাতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট। তিন থেকে চার ঘণ্টাও ঠিকমতো ঘুমাতে পারছি না। এতে শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়ে যাচ্ছে।’
কুড়িগ্রাম শহরের পাওয়ারহাউজপাড়া এলাকার ওয়ার্কশপ ব্যবসায়ী সুমন জানান, দিনে মাত্র তিন থেকে চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকায় তাঁর ব্যবসায়িক ক্ষতি হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘কাজের অর্ডার নিয়ে সময়মতো ডেলিভারি দিতে পারছি না। লেবারদের টাকা দেওয়া লাগে, কিন্তু আয় কমে যাচ্ছে।’
‘বিদ্যুৎ নেই। পরিস্থিতি একেবারে খারাপ। খামার নিয়ে খুব টেনশনে আছি। গরমে গরুগুলো সমানে হাঁপাচ্ছে। নেলপা (লালা) ফেলাচ্ছে। গোসল ঠিকমতো করতে পারছি না, ফ্যানও চালাতে পারছি না। সারা দিনে কারেন্ট এক ঘণ্টাও পাই না। রাতে অবস্থা আরও খারাপ।’ — খামারি আনিছুর রহমান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুড়িগ্রাম জেলা, উলিপুর উপজেলা, ধামশ্রেলি ইউনিয়ন, সুরির ডারা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনিছুর রহমান, মারুফ আহমেদ, সুমন, সিরাজুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১টি গরু, ৩-৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ, ৮০ মেগাওয়াট চাহিদা, ৪৩ মেগাওয়াট সরবরাহ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!