📌 হিমবাহ ধসে সৃষ্ট দুটি নতুন হ্রদের পানি উপচে পড়া শুরু হওয়ায় নেপালে দ্বিতীয় দফা প্রলয়ংকরী পাহাড়ি ঢলের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে ৬২৩ জনের মৃত্যু ও দুই হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় বিপর্যয় আরও ঘনীভূত হয়েছে
হিমবাহ ধসে সৃষ্ট দুটি নতুন হ্রদের পানি উপচে পড়া শুরু হওয়ায় নেপালে দ্বিতীয় দফা প্রলয়ংকরী পাহাড়ি ঢলের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত বুধবার নেপাল ও তিব্বতের কয়েকটি এলাকায় হিমবাহ ধসে বিপর্যয়ের দুই দিন পর নতুন করে বিপদ ঘনিয়ে উঠেছে। রসুয়া জেলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ধ্বংসাবশেষ জমে তৈরি হওয়া একটি হ্রদের পানি উপচে পড়তে শুরু করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হিমবাহ ধসে সৃষ্ট দুটি নতুন হ্রদের মধ্যে একটির পানি উপচে পড়া শুরু হয়েছে
- 📌 গত বুধবারের বিপর্যয়ে এখন পর্যন্ত ৬২৩ জনের মৃত্যু ও দুই হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ
- 📌 রসুয়া জেলার কর্মকর্তা নরেন্দ্র পারিয়ার জানান, নদীর পানির উচ্চতা বাড়ছে
- 📌 বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, একটি হ্রদ হিমবাহের কাছে উঁচু এলাকায় ও অন্যটি নেপালের লেন্দে নদী ব্যবস্থায় তৈরি হয়েছে
- 📌 চীনের প্রকৌশলী দল হ্রদটির ত্রিমাত্রিক মডেল তৈরির কাজ শুরু করেছে
📰 বিস্তারিত
গত বুধবার নেপাল ও তিব্বতের কয়েকটি এলাকায় হিমবাহ ধসে বিপর্যয় দেখা দেয়। এর ফলে সৃষ্ট ভূমিধস ও পাহাড়ি ঢলে এখন পর্যন্ত ৬২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া দুই হাজারের বেশি মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। হিমবাহ ধসের ফলে সৃষ্ট ধ্বংসাবশেষ জমে নতুন দুটি হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে একটি হ্রদ হিমবাহের কাছাকাছি উঁচু এলাকায় তৈরি হয়েছে, যেখানে হিমবাহ গলা পানি আটকে রয়েছে। অন্যটি নেপালের লেন্দে নদী ব্যবস্থার অন্তর্গত ছোচেন খোলা ও পুরেপু সাংপো নদীর সংগমস্থলের কাছে অবস্থিত।
রসুয়া জেলার শীর্ষ কর্মকর্তা নরেন্দ্র পারিয়ার জানান, হ্রদের পানি উপচে পড়া শুরু হওয়ায় নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি, নদীর পানির উচ্চতা বাড়ছে। বর্তমানে পানির উচ্চতা ঠিক কতটা বেড়েছে তা স্পষ্ট নয়।’ পারিয়ার আরও জানান, নতুন করে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে এমন আশঙ্কায় উদ্ধারকাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছিল।
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, হ্রদের পানি আলগাভাবে জমে থাকা পাথর ও কাদার তৈরি প্রাকৃতিক বাঁধের পেছনে আটকে থাকায় মাঝারি মাত্রায় পানি উপচে পড়লেও সেই বাঁধ ক্ষয় হয়ে যেতে পারে। ফলে হঠাৎ বাঁধ ভেঙে ভাটির দিকে ব্যাপক ও ধ্বংসাত্মক ঢলের সৃষ্টি হতে পারে। নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছে, হ্রদটির পানির উচ্চতা বাড়ছে এবং যেকোনো সময় সেটির পানি উপচে পড়ে বা বাঁধ ভেঙে ব্যাপক পাহাড়ি ঢল নামতে পারে।
‘আমরা দেখতে পাচ্ছি, নদীর পানির উচ্চতা বাড়ছে। বর্তমানে পানির উচ্চতা ঠিক কতটা বেড়েছে, তা স্পষ্ট নয়। আমরা জানি না, এটি কতটা বড় হয়েছে এবং এর পানির উচ্চতা কত।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেপালের রসুয়া জেলা ও তিব্বত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নরেন্দ্র পারিয়ার (রসুয়া জেলার শীর্ষ কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যু ৬২৩ জন, নিখোঁজ ২ হাজার ৪০০ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!