📌 কুড়িগ্রামের দ্বীপচরের খেওয়ার আলগারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের নিয়মিত অনুপস্থিতির কারণে তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকা বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ জানায়। অভিভাবক ও স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের অবসর গ্রহণের পর থেকেই বিদ্যালয়টি শিক্ষাবঞ্চিত হয়ে আছে
কুড়িগ্রাম সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের খেওয়ার আলগারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আজ সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কোনো শিক্ষক উপস্থিত না থাকায় বিদ্যালয়টি পুরোপুরি তালাবদ্ধ ছিল। বিদ্যালয়টিতে নিয়মিত শিক্ষকদের অনুপস্থিতির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক অবসরে যাওয়ার পর থেকে শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিদ্যালয়টিতে ৮০ জন শিক্ষার্থীর জন্য পাঁচজন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও নিয়মিত উপস্থিতি নেই কোনো শিক্ষকেরই
- 📌 আজ সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিদ্যালয়ের সব শ্রেণিকক্ষ তালাবদ্ধ ছিল, জাতীয় পতাকাও উত্তোলন করা হয়নি
- 📌 শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করতে না পেরে চিৎকার করে প্রতিবাদ জানায় এবং শ্রেণিকক্ষের তালা ভাঙার চেষ্টা করে
- 📌 বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষক আরিফা সুলতানা নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন না বলে অভিযোগ রয়েছে
- 📌 সরকারি মিড-ডে মিলের খাদ্যসামগ্রীও বিতরণ করা হয়নি বলে অভিভাবকদের অভিযোগ
📰 বিস্তারিত
খেওয়ার আলগারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ব্রহ্মপুত্র নদের দ্বীপচরে অবস্থিত। বিদ্যালয়টিতে ৮০ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করলেও নিয়মিত শিক্ষকদের অনুপস্থিতির কারণে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাবঞ্চিত হয়ে আসছে। স্থানীয় বাসিন্দা আল-আমিন জানান, তিনি নিজেও এই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি বলেন, ‘২০১৬ সালে প্রধান শিক্ষক অবসরে যাওয়ার পর থেকেই বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম পুরোপুরি থেমে গেছে। নিয়মিত শিক্ষক না আসায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।’
বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষক আরিফা সুলতানা এলাকার বাইরে থাকায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় ইউএনও বরাবর অভিযোগ দেওয়া হলেও কোনো উন্নতি হয়নি বলে এলাকাবাসী জানান। দুই সপ্তাহ আগে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তদন্তে এসে অভিযোগের সত্যতা পেলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইশরাত জাহানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এমন অবহেলা দুঃখজনক। জড়িত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যাত্রাপুর ইউনিয়ন, কুড়িগ্রাম সদর, কুড়িগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আরিফা সুলতানা (সহকারী শিক্ষক), ইশরাত জাহান (ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক), আল-আমিন (স্থানীয় বাসিন্দা), শফিকুল ইসলাম বেবু (বিএনপি নেতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০ জন শিক্ষার্থী, ৫ জন শিক্ষক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!