📌 নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় একটি সর্বজনীন কবরস্থানকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত ১২০ জন আহত হন। ঘটনায় একাধিক দোকান ও বাড়িঘরে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতি ইউনিয়নের আমগড়া এলাকায় একটি সর্বজনীন কবরস্থানের দখল ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১২০ জন আহত হন। এছাড়া সংঘর্ষের সময় অন্তত ১১টি দোকান ও বাড়িঘরে ভাঙচুর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কলমাকান্দা উপজেলার আমগড়া এলাকায় কবরস্থানকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ১২০ জন আহত
- 📌 ঘটনার সময় অন্তত ১১টি দোকান ও বাড়িঘরে ভাঙচুরের অভিযোগ
- 📌 আহতদের মধ্যে ৮ জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ
- 📌 কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বাকিদের
- 📌 কবরস্থানটি ১৪৪ শতক জায়গায় নির্মিত এবং প্রায় ৮০ বছর ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে
📰 বিস্তারিত
কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতি ইউনিয়নের আমগড়া এলাকায় একটি সর্বজনীন কবরস্থানের দখল ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। পানেশ্বরপাড়া ও আমগড়া গ্রামের বাসিন্দারা প্রায় ৮০ বছর ধরে এই কবরস্থানটি ব্যবহার করে আসছেন। তবে সম্প্রতি পানেশ্বরপাড়ার বাসিন্দারা বিরোধপূর্ণ স্থানে আরও কিছু দোকানঘর নির্মাণ করতে গেলে আমগড়ার বাসিন্দারা বাধা দেন।
স্থানীয় সালিসেও কোনো সমাধান না হওয়ায় আজ শুক্রবার সকালে পানেশ্বরপাড়ার লোকজন বিরোধপূর্ণ স্থানে একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করতে গেলে আমগড়ার বাসিন্দারা বাধা দেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। উভয় পক্ষের কয়েক শ লোক লাঠিসোঁটা, ইটপাটকেল ও দেশি অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, বেলা পৌনে ৩টা পর্যন্ত হাসপাতালে ৬৮ জন আহত রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত আটজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
"সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষের মধ্যে লাঠিসোঁটা, ইটপাটকেল ও দেশি অস্ত্র ব্যবহৃত হয়। এতে নারীসহ অন্তত ১২০ জন আহত হন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলমাকান্দা উপজেলা, রংছাতি ইউনিয়ন, আমগড়া এলাকা, নেত্রকোনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল্লাহ আল মামুন (উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা), মোস্তাফিজুর রহমান (কলমাকান্দা থানার ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২০ জন আহত, ১১টি দোকান ও বাড়িঘরে ভাঙচুর, ১৪৪ শতক জায়গা, ৮০ বছর ধরে ব্যবহৃত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!