📌 কিশোরগঞ্জে জাতীয় মৎস্যপক্ষ-২০২৬ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত, জেলেদের মধ্যে বিতরণ, কার্প হ্যাচারি পরিদর্শন ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। জেলাবাসীর প্রত্যাশা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
কিশোরগঞ্জে জাতীয় মৎস্যপক্ষ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যানবাড়ি ঘাট এলাকায় পৌঁছান তিনি। স্থানীয় নেতা–কর্মী ও সাধারণ মানুষ তাঁকে স্লোগানে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে জেলায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যানবাড়ি ঘাট এলাকায় পৌঁছান সকাল সাড়ে ১১টায়
- 📌 জাতীয় মৎস্যপক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত ও জেলেদের মধ্যে বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী
- 📌 দুপুর সাড়ে ১২টায় কটিয়াদীর আচমিতা এলাকায় কার্প হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন তিনি
- 📌 বিকেল একটায় আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশন মাঠে জাতীয় মৎস্যপক্ষ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী
- 📌 সন্ধ্যা ছয়টায় কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কিশোরগঞ্জ জেলায় এক দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও মৎস্য খাতের সম্ভাবনা তুলে ধরেন। পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যানবাড়ি ঘাট এলাকায় পৌঁছানোর পর তিনি স্থানীয় নেতা–কর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা পান। জাতীয় মৎস্যপক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে স্থানীয় জেলেদের মধ্যে মাছের পোনা বিতরণ করেন তিনি।
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী কটিয়াদীর আচমিতা এলাকায় কার্প হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন। পরে বেলা একটার দিকে তিনি আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশন মাঠে জাতীয় মৎস্যপক্ষ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ঢাকার বাইরে এবারই প্রথম জাতীয় পর্যায়ের মৎস্যপক্ষের উদ্বোধন করা হয় কিশোরগঞ্জে। হাওর–নদী–বিল–মিঠাপানির মাছের সমৃদ্ধ ভান্ডার হিসেবে পরিচিত বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের মৎস্য খাতের সম্ভাবনা তুলে ধরতে এই আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মৎস্য খাতে বিশেষ অবদান রাখা উদ্যোক্তাদের পুরস্কৃত করার কথা রয়েছে। এ আয়োজনকে কেন্দ্র করে মৎস্যচাষি, জেলে, উদ্যোক্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী বিকেল আড়াইটার দিকে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে যান। সেখানে তিনি মাঠের উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করেন এবং ছাত্রদলের নেতা–কর্মীদের নিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
পরে সার্কিট হাউসে মধ্যাহ্নভোজ ও বিশ্রাম শেষে বিকেল চারটার দিকে জেলা শহরের পুরোনো স্টেডিয়ামে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, বিভিন্ন অনুদান প্রদান এবং মসজিদের ইমাম–মুয়াজ্জিন–খাদেমসহ ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এ ছাড়া সারা দেশের শিক্ষার্থীদের স্কুলড্রেস ও ব্যাগ দেওয়ার পাইলট কার্যক্রমও উদ্বোধন করেন তিনি।
"কিশোরগঞ্জ জেলার মৎস্য ও কৃষি সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিল্পায়নের মাধ্যমে জেলাবাসীর জীবনমান উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কিশোরগঞ্জ জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সময়: সকাল সাড়ে ১১টা, দুপুর সাড়ে ১২টা, বিকেল একটা, বিকেল চারটা, সন্ধ্যা ছয়টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!