📌 কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তদারকিতে নকল ভূষি উৎপাদন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্য প্রস্তুতকরণ ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির দায়ে তিন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তদারকিতে তিনটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। নকল ভূষি উৎপাদন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরির পাশাপাশি মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য সংরক্ষণের দায়ে এই জরিমানা করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৭৩ হাজার টাকা জরিমানা**: নকল ভূষি উৎপাদন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্য প্রস্তুতকরণ ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির দায়ে তিন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে মোট ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
- 📌 **৫০ হাজার টাকা জরিমানা**: মেসার্স ইভা অ্যান্ড স্নিগ্ধা এন্টারপ্রাইজকে নকল ভূষি উৎপাদন ও নামীদামি কোম্পানির নামে বাজারজাত করার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
- 📌 **২০ হাজার টাকা জরিমানা**: তাইয়্যেবা সুইটসকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরির দায়ে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
- 📌 **৩ হাজার টাকা জরিমানা**: মেসার্স সাফায়াত এন্টারপ্রাইজকে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য সংরক্ষণের দায়ে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
- 📌 **তদারকি অভিযান**: অভিযান পরিচালনা করেছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কিশোরগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম।
📰 বিস্তারিত
আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর ২০২৬) করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তদারকি অভিযানে এই জরিমানা করা হয়। অভিযানে দেখা যায়, মেসার্স ইভা অ্যান্ড স্নিগ্ধা এন্টারপ্রাইজ নকল ভূষি উৎপাদন করে বিভিন্ন নামীদামি কোম্পানির নামে পণ্য বাজারজাত করছিল। অন্যদিকে, তাইয়্যেবা সুইটস অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরির কাজ করছিল। মেসার্স সাফায়াত এন্টারপ্রাইজের দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য সংরক্ষণ করা হয়েছিল।
অভিযান পরিচালনা করেছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কিশোরগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম। এতে সহযোগিতা করেছেন জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা তানজীনা বেবী এবং জেলা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, জরিমানার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের ন্যায্য দামে পণ্য বিক্রি, মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য বিক্রি থেকে বিরত থাকা এবং দোকানে দৃশ্যমান স্থানে মূল্যতালিকা প্রদর্শনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
"জরিমানার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের ন্যায্য দামে পণ্য বিক্রি, মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য বিক্রি থেকে বিরত থাকা এবং দোকানে দৃশ্যমান স্থানে মূল্যতালিকা প্রদর্শনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: করিমগঞ্জ উপজেলা, নিয়ামতপুর বাজার, কিশোরগঞ্জ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম, তানজীনা বেবী, জেলা পুলিশের কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৩ হাজার টাকা (মোট জরিমানা), ৫০ হাজার টাকা, ২০ হাজার টাকা, ৩ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!