📌 ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অতীশ দর্শী চাকমা ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের হেনস্তার শিকার হন। ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে সংঘর্ষে পুলিশের সহায়তায় তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। অভিযানকে বিতর্কিত করার অভিযোগ উঠেছে
ঢাকার উত্তরা এলাকায় ফুটপাতের অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযানে গিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অতীশ দর্শী চাকমা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের হেনস্তার শিকার হন। ঘটনায় পুলিশের সহায়তায় তিনি ঘটনাস্থল ছাড়তে বাধ্য হন। অভিযানকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিতর্কিত করার অভিযোগ উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর সড়কের পাকার মাথায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে ম্যাজিস্ট্রেট অতীশ দর্শী চাকমাকে হেনস্তা করা হয়
- 📌 ব্যবসায়ীরা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ তোলেন: ১ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়ার দাবি, পরে টাকা পাওয়া গেছে বলে দাবি
- 📌 অভিযানকে বিতর্কিত করার জন্য লোকজন জড়ো করার পরিকল্পনা ছিল বলে ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযোগ
- 📌 উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি খালিদ মনসুর বলেন, জরিমানার রসিদ দেওয়ার বিতর্কে উত্তেজনা তৈরি হয়
- 📌 ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্ব ও প্রস্তুতিতে ঘাটতি থাকার জন্য তাকে অভিযান থেকে বিরত রাখার সুপারিশ
📰 বিস্তারিত
গত বুধবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর সড়কের পাকার মাথায় ফুটপাতের অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অতীশ দর্শী চাকমা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের হেনস্তার শিকার হন। অভিযানে জড়িত ব্যবসায়ীরা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ তোলেন। তারা দাবি করেন, ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযান চালানোর দলে একজন কর্মকর্তা তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা নিয়েছেন। পরে ওই টাকা পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হয়নি।
ম্যাজিস্ট্রেটের লিখিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযানকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিতর্কিত করার জন্য লোকজন জড়ো করার পরিকল্পনা ছিল। তিনি জানান, বিমানবন্দর-সংলগ্ন সড়ক ও এলাকায় অবৈধ দখলমুক্ত রাখতে অভিযান পরিচালিত হচ্ছিল। তবে অভিযান চলাকালে স্থানীয় লোকজন ও ব্যবসায়ীরা তাঁকে ঘিরে ধরেন। শারীরিক হেনস্তার পর পুলিশের সহায়তায় তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদ মনসুর প্রথম আলোকে বলেন, ফুটপাতে দোকান থাকার অভিযোগে জরিমানা করা হয়। জরিমানার রসিদ দেওয়ার বিতর্কে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিস্থিতি উত্তেজনাকর হয়ে পড়লে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।
"ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানকে বিতর্কিত করতে পরিকল্পিতভাবে লোকজন জড়ো করা হয়েছিল। তবে আমার বক্তব্যের সঙ্গে পুরোপুরি একমত হতে পারেননি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। তিনি আমাকে অভিযান থেকে বিরত রাখার সুপারিশ করেছেন।"
ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে এডিস মশার বংশ বিস্তার নিয়ন্ত্রণ এবং শহরের রাস্তা-ফুটপাত পরিষ্কার রাখার লক্ষ্যে অভিযান পরিচালিত হচ্ছিল। তবে অভিযানকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে লোকজন জড়ো করার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ফুটপাতের অবৈধ দখলদারদের সঙ্গে প্রেসক্লাবের সদস্যদের সমঝোতা রয়েছে, যা অভিযানকে স্থবির করার উদ্দেশ্যে হতে পারে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ম্যাজিস্ট্রেট অতীশ দর্শী চাকমা, ওসি খালিদ মনসুর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার ৫০০ টাকা (ঘুষের দাবি), ৪ নভেম্বর (অভিযানের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!